লংগদুতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিশেষ আইনশৃংখলাসভায় মিলিত হন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার। সেখানে লংগদুর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,রাজনৈতিক দলের ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কুলিনমিত্র চাকমা আদু,আটারকছড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মঙ্গল কান্তি চাকমা,উপজেলা জনসংহতি সমিতির সম্পাদক মনিশংকর চাকমা।
জনসংহতি সমিতির সম্পাদক মনিশংকর চাকমা বলেন, ‘আমরা ক্ষতিপূরণ চাইনা,অপরাধীদের বিচার চাই। এই ঘটনার সাথে যারাই জড়িত তাদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। আমি চেষ্টা করছি সবাইকে আবার ফিরিয়ে আনতে,কিন্তু তারাতো আমার কথায় আশ্বস্ত হতে পারছেন না। তিনি কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমার বাসায় যারা আগুন দিয়েছে তারা তো অপরিচিত কেউ না, আমার সকাল বিকাল দেখা হয়, আমার বাসায় আসে, এমন পরিচিত মুখ। আমার ঘরে তারা কি করে আগুন দিলো ? এই কষ্ট আমি কোথায় রাখি ? সকালে আমাকে প্রশাসন থেকে আশ্বাস দেয়া হলো, কিচ্ছু হবেনা,যার আগের দিন পালিয়ে গেছে,তাদের ফিরিয়ে নিয়ে আসেন,কিন্তু কি হলো ? কেনো এই ঘটনা হলো ? আমাদের সাহায্য দরকার নাই, আমরা প্রয়োজনে না খেয়ে মারা যাবো, তবুও যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের আইনের আওতায় আনা হোক। ’
ঘটনার সাথে জড়িতদের ও ইন্ধনদাতাদের খুঁজে বের করার দাবি জানিয়ে আটারকছড়া ইউপি চেয়ারম্যান মঙ্গল কান্তি চাকমা বলেন, একটা সভ্য শেষে এমন বর্বর ঘটনা কি করে হতে পারে ? কোথায় বাস করছি আমরা ?
কুলিনমিত্র চাকমা আদু বলেন, আমার কিছু বলার নাই। আপনারা দেখেছেন,আমরা নি:স্ব হয়ে গেছি।
Previous Article‘অপপ্রচার ও উস্কানি’র নিন্দা বাঙালী ছাত্র পরিষদের
Next Article ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার,আটক ৭