সকালে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মানজারুল মান্নান, পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান লংগদুর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এরপরই ১৪৪ ধারা প্রত্যাহারের ঘোষনা দেন জেলা প্রশাসক। এরপর বিশেষ আইনশৃংখলা সভায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার তাদের বক্তব্যে এই ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনী পদক্ষেপ নেয়ার ঘোষনা দেন। এবং এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ফিরে আসার আহ্বান জানান। প্রত্যেকের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি অনুসারে ক্ষতিপূরণ প্রদান,আর বাড়ী নির্মাণের আগ পর্যন্ত লংগদু সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও তিনটিলা বনবিহারে থাকার ব্যবস্থা এবং তাদের খাবার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। আর ক্ষতিক্ষ¯্রÍরা যাতে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন, সেই জন্য সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানান জেলা প্রশাসক।
এছাড়া ক্ষতিক্ষস্তদের প্রকৃত ক্ষতি নিরূপনে তিন সদস্যের একটি ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন কমিটি করা হয়েছে। এতে সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু তৈয়ব এবং স্থানীয় পাড়া প্রধান সুচিত্র কার্বারিকে সদস্য করা হয়েছে।
এদিকে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৩০০ জনকে আসামী করে লংগদু থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসআই দুলাল হোসেন বাদী হয়ে এই মামলাটি করেছেন। ইতোমধ্যেই ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন- সাইফুল,শাহ আলম,মো: শহীদ,আবুল কালাম,শরিফুল,শরিফ এবং মো: মোস্তফা। অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারেও অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন লংগদু থানার অফিসার অফিসার ইনচার্জ মোমিনুল ইসলাম। এদিকে গ্রেফতার আতংকে পুরুষশূণ্য হয়ে পড়েছে লংগদু উপজেলা সদর।