প্রিয় করোনা যোদ্ধাগণ,
বৈশ্বিক মহামারী বা করোনা যুদ্ধের মহান যোদ্ধা তথা ডাক্তার, নার্স,হাসপাতাল কর্মী, পরিচ্ছন্নতা কর্মী,প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌ-বাহিনী, বিজিবি, জনপ্রতিনিধি, সমাজকর্মী সহ দেশি-বিদেশি এনজিও সংস্থা, সংবাদমাধ্যম ও সংবাদকর্মী গণের প্রতি জানাই সশ্রদ্ধ সালাম। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আপনারা নিজের জীবন বাজি রেখে দেশ ও জনগণের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। সামনের সময়গুলোতে অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশেও হয়তো মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘায়িত হতে পারে। শহীদ হতে পারে ডাক্তার মইন উদ্দিন এর মত অনেকে। পুলিশ,প্রশাসন সহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকারী অনেকেই আক্রান্ত হতে পারেন। অপ্রত্যাশিতভাবে যদি ওই রকম পরিস্থিতি আসেও তার জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।
প্রিয় দেশবাসী,এই ভাইরাসের ঔষধ যেহেতু এখনো আবিষ্কার হয়নি এবং আমাদের দেশে চিকিৎসা সরঞ্জাম এর ভয়াবহ অপ্রতুলতা রয়েছে তাই আসুন আমরা এই মহামারিতে আক্রান্ত না হয়ে ঘরে থেকেই এটিকে প্রতিরোধ করি।
প্রিয় বন্ধুগণ, যারা এই মহামারী বা যুদ্ধে যোদ্ধার ভূমিকায় নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন আসুন তাদের উৎসাহ দেই। ছোটখাটো ভুল ত্রুটি গুলোকে বেশি গুরুত্ব না দেই। আপনার, আমার একটি কটুক্তি, একটি ব্যঙ্গ কথা অনেক নিরপরাধ করোনা যোদ্ধার মনকে বিষন্ন ও দুর্বল করে ফেলতে পারে। আসুন, দেশকে ভালোবেসে আমাদের যোদ্ধাদের ঝুঁকিতে না ফেলে ঘরেই থাকি।
সর্বোপরি সরকারি-বেসরকারি ত্রাণ দরিদ্র মানুষের মাঝে এলোমেলো ভাবে না দিয়ে সমন্বিত ও নিরপেক্ষ ভাবে বন্টন শতভাগ নিশ্চিত করি। যাতে খাবারের অভাবে একজন মানুষও রাস্তায় বের হয়ে না আসে। এরপরেও যদি কেউ অকারনে বের হয়, প্রশাসনের কাছে জোরালো দাবি,দেশ ও জাতীর স্বার্থে এদের “পেটান”।
লিখেছেন : মাসুদ রানা, সমাজকর্মী ও ব্যবসায়ী, রাঙামাটি
