জিয়াউল জিয়া
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই আনন্দে মেতে ওঠে বাংলাদেশের সমর্থকরা। কাতার বিশ্বকাপ শুরুর আগে বিশ্বকাপ উত্তেজনায় কাঁপছে গোটা দেশ। রাঙামাটিতে ৩৫ ফুট লম্বা পতাকা নিয়ে বর্ণাঢ্য র্যালি করেছে ‘আর্জেন্টিনা সমর্থক গোষ্ঠী’। বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের শহীদ মিনার থেকে র্যালিটি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের আসামবস্তি হয়ে তবলছড়ি-বনরূপা ঘুরে রিজার্ভ বাজারের মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর সেতুতে র্যালিটি শেষ হয়। যেটি বর্তমানে স্থানীয়দের কাছে আর্জেন্টিনা সেতু হিসেবে পরিচিত।
র্যালিতে প্রায় শতাধিক আর্জেন্টিনা ভক্ত প্রায় দুইশত মোটরসাইল নিয়ে অংশ নেন। র্যালিতে সমর্থকরা গায়ে জার্সি, হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ও আর্জেন্টিনার পতাকা নিয়ে র্যালিতে অংশ নেয়।
আর্জেন্টিনা সমর্থক সুজন বড়ুয়া বলেন, ১৯৮০ সালের পর যারা বিশ্বকাপ খেলা দেখেছে সবাই ম্যারাডোনা খেলা দেখেছে, যার কারণে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ আর্জেন্টিনা সমর্থন করে। এবার মেসি ও আর্জেন্টিনা দল খুব ভালো খেলছে। কোপা আমেরিকা আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয় এই ধারাবাহিতায় এবার মেসির শেষ বিশ^কাপ হতে পারে। এবং মেসির হাতেই কাপটি উঠবে এমনটাই আশা সমর্থক হিসেবে।
স্নেহাশীষ সেন্টু বলেন, ব্রাজিল শুধু শুধু অনেক কথা বলবে;এগুলো শুনার কোন সময় নাই। আর অতীত নিয়ে আমরা বিশ্বাস করি না। সাম্প্রতিক সময় কোপা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আর্জেন্টিনা তাই এবারের বিশ্বকাপ আমরাই জিতবো।
সুমন চাকমা বলেন, আমার বন্ধুরা বলে ব্রাজিল ব্রাজিল। ব্রাজিল ৫বার কাপ নিয়েছে। আমি বলি ৫বার কাপ নিলে কিছুই হবে না। খেলা দেখ, এবারের খেলায় অনেক পার্থক্য আছে। আর্জেন্টিার সাথে দুই বার ম্যাচ খেলে একবারও জয়ী হতে পারেনি ব্রাজিল। আমাদের দল আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী।
পলাশ বড়ুয়া বলেন আর্জেন্টিনা টানা ৩৫ ম্যাচ জিতে এখনো অপরাজিত। অবশ্যই এই বিশ্বকাপে আমরা আমাদের মেসির হাতে শিরোপ দেখতে চাই।
আয়োজক কমিটির অন্যতম সদস্য নাছির উদ্দিন সোহেল বলেন, আমাদের নিজের দেশ বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারেনি। তাই আমরা আর্জেন্টিনা দলের সমর্থন করছি এবং প্রিয় দলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আমরা আনন্দ র্যালি করেছি। যেহেতু এবার মেসির শেষ বিশ্বকাপ তাই এ বিশ্বকাপটি খুব স্পেশাল।
