সরকারি- বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা থেকে পাওয়া কম্বল বিতরণ করার পরও ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দুস্থ মানুষদের কম্বল বিতরণ করছেন চন্দ্রঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারল ইসলাম চৌধুরী বেবী। খোঁজ নিয়ে রাতের আঁধারে এলাকার বয়োবৃদ্ধ অসহায়দের ঘরে ঘরে গিয়ে তিনি তাদের হাতে কম্বল পৌঁছে দিচ্ছেন। ইউপি চেয়ারম্যানের এ ধরনের কর্মকান্ডের কারণে এলাকার মানুষের মুখে মুখে তার সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় অধিবাসিদের কাছ থেকে জানা গেছে, দুস্থ শীতার্ত মানুষদের জন্য সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা থেকে কম্বল সরবরাহ করা হয়েছে। এলাকার দুস্থ মানুষের চাহিদা অনুযায়ী তা অপ্রতুল। সাহায্য পাওয়া কম্বল ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে নিজ নিজ ওয়ার্ডে বিতরণ করার পর অনেক দুস্থ মানুষ বঞ্চিত থেকে যাচ্ছে। এসকল দুস্থ মানুষদের দুর্দশার কথা ভেবে ইউপি চেয়ারম্যান বেবী সামর্থ্য অনুযায়ী তিনি তাদের পাশে দাঁড়াতে সচেষ্ট হয়ে উঠেন। সে অনুযায়ী তিনি দুস্থদের মাঝে ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে সংগ্রহ করা কম্বল সরবরাহ করা শুরু করেন। ইতিমধ্যে তিনি ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়ি, বড়ইছড়ি, কয়লার ডিপু, বারঘোনা সি-টাইপ কোয়ার্টার, মাস্টার কলোনী, কোব্বাতের ঘোনা, কাবিলা ঘোনা, সিনেমা হলের পশ্চিম পাড়, ছাদেকের ঘোনা, ফকিরা ঘোনা, কলাবাগান, মিশন এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে শতাধিক অসহায় মানুষদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন। বেবী খোঁজ নিয়ে রাতের আঁধারে নিজে গিয়ে দুস্থ এসব মানুষের হাতে হাতে কম্বল পৌঁছে দিচ্ছেন। আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বেবীর এমন তৎপরতায় এলাকাবাসি বেজায় খুশি। বয়োবৃদ্ধ দুস্থ মানুষগুলো দু’হাত তুলে তার জন্য দোয়া করতে দেখা গেছে।
তেমনি গত ২৬ জানুয়ারি রাতে ফকিরাঘোনা এলাকার অসহায় বৃদ্ধ মরিয়ম বেগম ও আমেনা বেগমের ঘরে গিয়ে তাদের হাতে কম্বল পৌঁছে দেন বেবী। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য আকতার হোসেন মিলন, সাবেক ইউপি সদস্য মনা, ইউপি সদস্য মামুন, ইউপি সদস্য মনা, গ্রাম পুলিশ বাচ্চু খানসহ স্থানীয় এলাকাবাসি।
এ বিষয়ে আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বেবীর দৃষ্টি আর্কষণ করা হলে তিনি বলেন, সরকারি বেসরকারিভাবে দুস্থদের জন্য দেওয়া কম্বল বিলির পাশাপাশি নিজ উদ্যোগেও কিছু কিছু হতদরিদ্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে। যেহেতু চাহিদা অনুযায়ী কম্বল পাওয়া সম্ভব নয়। তাই কিছু অর্থ ব্যয় হলেও চেষ্টা করছি যাতে শীতার্ত মানুষগুলো একটু আরামে থাকতে পারে।
