শংকর হোড় ॥
টানা তিনদিনের ছুটির পর রবিবার থেকে আবারো কর্মব্যস্ততা শুরু হবে। আর ছুটিতে বেড়াতে আসা পর্যটকরা রাঙামাটি থেকে যার যার গন্তব্যে চলে যাচ্ছে। তবে রাঙামাটিতে আসার মতোই যাওয়ার পথেও বিড়ম্বনা পেতে হচ্ছে পর্যটকদের। রাঙামাটি-ঢাকা ফিরতি পথে নেই কোনও টিকিট। দুই দিন আগেই সব টিকিট শেষ হয়েছে। ভরসা রাঙামাটি-চট্টগ্রাম বাস সার্ভিস পাহাড়িকা কিংবা বিআরটিসি। তবে সেখানেও টিকিট পেতে রীতিমত যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হচ্ছে পর্যটকদের। আবার অনেকেই পরিবার নিয়ে কার-মাইক্রোতে রাঙামাটি ছেড়েছে।
বিআরটিসি কাউন্টারের ম্যানেজার বিকাশ বলেন, প্রতিদিন পাঁচটা বাস রাঙ্গামাটি থেকে চট্টগ্রামে যায়। শুক্রবার, শনিবার দুইদিনই বেশিরভাগ যাত্রী ছিল পর্যটকরা। ঢাকার টিকিট না পেয়ে চট্টগ্রাম টিকিট কিনছে পর্যটকরা।
ঢাকা থেকে আসা রাসেল ও মিলি দম্পতি জানান, ঢাকার টিকিট না পেয়ে এখন পাহাড়িকা গাড়ির টিকিট নিয়েছি, সেখানেও অনেক ভিড়। চট্টগ্রাম গিয়ে সেখান থেকে অন্য কোনও পরিবহনে ঢাকায় যাবো।
পাহাড়িকা বাস কাউন্টারের দায়িত্বরত কাউন্টারম্যান বলেন, আজকে স্থানীয় যাত্রীর চাইতে পর্যটকদের ভিড় ছিল বেশি। ঢাকার টিকিট না পেয়ে চট্টগ্রামে যেতে টিকেট কাউন্টারে পর্যটকদের ভিড় বেশি ছিল।
ঢাকা-রাঙামাটি রুটের ইউনিক বাস সার্ভিসের রাঙামাটি প্রতিনিধি বলেন, প্রতিদিন রাঙামাটি থেকে দুইটি বাস ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। কিন্তু বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবারের সব টিকিট আগেই বিক্রি হয়ে গেছে। প্রচুর যাত্রী আসছে, কিন্তু টিকিট দেয়া যাচ্ছে না।
রাঙামাটি জেলা কার-মাইক্রোচালক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন বলেন, পর্যটক বেশি আসায় অনেকে গাড়ি না পেয়ে কার-মাইক্রো ভাড়া করে চট্টগ্রাম যাচ্ছেন। আজকে(শনিবার) আমাদের সব গাড়িই চট্টগ্রামে যাত্রী পরিবহন করেছে, যারা রাঙ্গামাটি ঘুরতে এসেছিল।
