বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সভাপতি ফয়েজ উল্লাহের ওপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে রাঙামাটি জেলা ছাত্র ইউনিয়ন।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জলি তালুকদার ও সিপিবি শান্তিনগর শাখার নেতা হযরত আলীর নেতৃত্বে হামলা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে। বিবৃতিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানানো হয়েছে।
ছাত্র ইউনিয়ন রাঙামাটি জেলার সভাপতি অভিজিৎ বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক প্রান্ত রনি এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘রোববার বিকালে শ্রমজীবী মানুষদের সহযোগিতা নিশ্চিত করার দাবিতে পল্টনে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষিত মানববন্ধনে যোগ দিতে আসে ছাত্র ইউনিয়ন, কবি নজরুল সরকারি কলেজের দপ্তর সম্পাদক জোবায়ের সজল। সজলকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখির জের ধরে সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয় মুক্তিভবন থেকে টেনেহেঁচড়ে বাইরে নিয়ে গিয়ে মারধর করে সিপিবির শান্তিরনগর শাখার নেতা মঞ্জুর মঈন।’
“এসময় বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক দীপক শীল প্রতিবাদ করতে এগিয়ে আসলে তাকেও শারীরিকভাবে হেনস্থা করেন সিপিবির কেন্দ্রীয় সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য জলি তালুকদার, জওহর লাল রায়সহ আরো কয়েকজন। সংগঠন থেকে এই ঘটনার প্রতিবাদ লিপি পাঠানোর জেরে সিপিবি কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীয় সদস্য জলি তালুকদার ও শান্তিনগর শাখার নেতা হযরত আলী বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. ফয়েজ উল্লাহর ওপর রাত নয়টায় সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা করে। এই ধরণের ঘটনা নিন্দনীয়।”
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ‘জন্মলগ্ন থেকেই ছাত্র ইউনিয়নের সাথে কমিউনিস্ট পার্টির সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ। এই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট করতে বাইরের অনেক শক্তিই নানানভাবে চেষ্টা করেছে কিন্তু সফল হয়নি। কমিউনিস্ট পার্টির মতো সুশৃঙ্খল সংগঠনের নেতাদের মধ্যে পরমত সহিষ্ণুতার অভাবই এই ধরণের ঘটনার অনুঘটক। হামলাকারিরা দীর্ঘদিন ধরেই ছাত্র ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং বিভিন্ন সময় একটা পক্ষকে উসকানি নিয়ে ছাত্র ইউনিয়নের ঐক্য প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছে। আমরা বিশ্বাস করি, আদর্শের যুদ্ধে পরাজিতদের শেষ হাতিয়ার সন্ত্রাস। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং ন্যায় বিচার দাবি জানাই।’
