মিন্টু মারমা, মানিকছড়ি প্রতিনিধি
আসন্ন কোরবানি উপলক্ষে বিক্রির জন্য ১০টি ষাঁড় প্রস্তুত করেছেন খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার মো. কামাল হোসেন। শখ করে ষাঁড়গুলোর নাম রেখেছেন ‘বস’। প্রত্যেকেই সমমাপের সুঠাম গঠন ও আকর্ষণীয় হওয়ায় দাম হাকাচ্ছেন ১৫ লাখ।
খামারি কামাল হোসেন মানিকছড়ি উপজেলার ১নং মানিকছড়ি (সদর) ইউনিয়নের একসত্যাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। সেখানে তিনি তাঁর নিজ বাড়িতেই গড়ে তুলেছেন ব্যক্তিগত দেশী গরুর খামার। আর এই খামারেরই আসন্ন কোরবানির কথা মাথায় রেখে লালন-পালন করছেন ষাঁড়গুলোকে। এখনও কোন হাটে তুলেননি ষাঁড়গুলোকে। তবে চলমান করোনা পরিস্থিতিতে সঠিকমূল্যে বিক্রয় নিয়েও শঙ্কায় রয়েছেন তিনি।
মো. কামাল হোসেন বলেন, ষাঁড়গুলো বিভিন্ন রঙের হওয়ায় ব্যবসায়ীদের জন্য সুবিধা হবে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরামর্শে ষাঁড়গুলোকে সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খাওয়ানো হয়েছে। ক্ষতিকর কোনো ওষুধ কিংবা বিকল্প খাবার ছাড়াই গড় ওজন দাঁড়িয়েছে ৫-৭ মণে। ১৫ লাখ টাকায় বিক্রি করার প্রত্যাশা তাঁর।
মানিকছড়ি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সূচয়ন চৌধুরী বলেন, ষাঁড়গুলো ব্যক্তিগত উদ্যোগে ও আমাদের পরামর্শে লালন-পালন করা হয়েছে। উপজেলায় ছোট-বড় ৪০টি খামার আছে। প্রায় সকল খামারের আসন্ন কোরবানের উদ্দেশে গরু প্রস্তুত করা হচ্ছে। তবে কামালের খামারের ষাঁড়গুলো বেশ বড় ও সুঠাম। চলমান লকডাউন ও করোনা পরিস্থিতিতে উপজেলার হাটগুলোতে বাহিরের ক্রেতা না আসলে প্রস্তুতকৃত কোরবানির পশুগুলো নিয়ে হিমশিম খেতে হবে খামারীদের।
