সাইফুল হাসান
“পার্বত্য চট্টগ্রামের একমাত্র দেশী এবং বড় ই-কমার্স প্লাটফর্ম ‘হিল ই-কমার্স সোসাইটি’ বর্তমানে এক লক্ষ্য সদস্যের মাইলফলক স্পর্শ করেছে গ্রুপ হিসেবে। ইতিমধ্যে হিলস’র দেড় বছরে পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩০ জন উদ্যােক্তা তৈরি হয়েছে। যে উদ্যােক্তারা লাখপতি হয়েছে। এতে ঘুচেছে পার্বত্য অঞ্চলের বেকারত্ব সমস্যা।”
শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে হিল ই-কমার্স সোসাইটি (হিলস) এর আয়োজনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংগঠনটির নেতৃবৃন্দরা।
হিলস’র সভাপতি ও এডমিন মনি পাহাড়ী’র সভাপতিত্বে এতে আরও উপস্থিত ছিলেন হিল ই-কমার্স সোসাইটি কনসালট্যান্ট ওমর ফারুক, পরিচালক আশিক সুমন, ঢাকা জেলা সমন্বয়ক মাহফুজুল হক, মডারেটর পিটম চাকমা, সিনিয়র মডারেটর সুশান্ত তঞ্চঙ্গ্যা, মডারেটর স্বপ্না চাকমা, নিমা চাকমা, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি তুষার চাকম। সঞ্চালনা করেন হিল ই-কমার্স সোসাইটি পরিচালক রন্ত কুমার তঞ্চঙ্গ্যা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা আরও বলেন, ‘হিলস’র মাধ্যমে পাহাড়-সমতলের মধ্যে একটা কার্যকরী নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে। পাহাড় থেকে সমতলে যাচ্ছে পিননহাদি সহ ঐতিহ্যবাহী পোশাক, অলংকার, বাঁশের তৈরি নানান জিনিস, ব্যাগ, শীতের শাল, বুরগি, বিভিন্ন ফলমূল, জুমে উৎপাদিত সবজি ইত্যাদি। এছাড়া সমতল থেকে পাহাড়ে আসছে জামদানি শাড়ি, মনিপুরি শাড়ি, ওড়না, শতরঞ্জি, শীতলপাটি, ইলিশ মাছ, খেজুর গুড়, ঘি, মধু, সরিষার তেল, সিজনাল ফলমূলসহ অর্গানিক নানানকিছু।
সংবাদ সম্মেলনে তারা আরও বলেন, “পার্বত্য অঞ্চলে কোন ইন্ডাস্ট্রি না থাকায় এখানে চাকরির সুযোগ খুবই কম, তাই বেকারত্বর সংখ্যা বেশি। এই ডিজিটাল প্লাটফর্ম তরুণদের উদ্যােক্তা হিসেবে গড়ে তুলছে এতে করে পার্বত্য অঞ্চলের অর্থনৈতিক চাকা গতিশীল হচ্ছে, বেকারত্ব দূর হচ্ছে, পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলের নানান কিছু দেশ ও বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে।”
উদ্যােক্তা অঞ্চল গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা ও লক্ষ্য সম্পর্কে উদ্যােক্তা নেতারা বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটা উদ্যােক্তা অঞ্চল গড়ে তুলে। যেটা হবে একটি গ্রাম এখানে একজন পর্যটক এসে পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড়ীদের জীবনধারা, তাদের হাতে তৈরি করা নানান পোষাক, অলংকার ক্রয় করা সহ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারবে ও উপভোগ করতে পারবে।
