রাঙামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থা নির্বাচনের অন্ততঃ পাঁচদিন আগে ‘অজ্ঞাত’ উৎস থেকে প্রচারিত হওয়া একটি প্রচারপত্রে ‘সর্বদলীয় ঐক্য পরিষদ’ নামে যে প্রার্থীদের সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে অভিহিত করা হয়েছিলো,২৯ সেপ্টেম্বর শেষ বিকেলে সেই প্যানেলকেই বিজয়ী হতে দেখে বিস্মিত প্রার্থী,কাউন্সিলর ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা।
ওই প্রচারপত্রে মোট পনেরজনের নাম,প্রতীক ও পদবী ব্যবহার করে বিজয়ী করার আহ্বান জানানো হয়। যদিও যাদের নাম দেয়া হয়েছিলো,তারা প্রত্যেকেই এই ধরণের কোন পরিষদ হওয়ার বিষয়টি কাল্পনিক ও মিথ্যা বলে দাবি করেছিলেন। কিন্তু ফলাফল ঘোষণার পর দেখা গেছে সদস্য পদের একজন (শাহ আলম) ছাড়া বাকি সবাই নিজ নিজ পদে ঠিকই বিজয়ী হয়েছেন।
সহসভাপতি,সাধারন সম্পাদক,অতিরিক্ত সাধারন সম্পাদক,যুগ্ম সম্পাদক,অর্থ সম্পাদক,কোষাধ্যক্ষ এবং ৭ সদস্যপদ নিয়ে ‘প্রচারিত’ ওই সর্বদলীয় পরিষদ বিজয়ী হওয়াটাকে তাই ‘পরিকল্পিত এবং আঁতাত’ হিসেবেই অভিহিত করছেন ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন বিজিত প্রার্থী বলেন, যেহেতু আমি নির্বাচনে জিতিনি,তাই আমার বক্তব্যও হয়তো অনেকেই ইতিবাচক নাও ভাবতে পারেন। তবে এইরকম প্যানেল হওয়াটা অনুচিত এবং ক্রীড়ার স্পিরিট এর সাথে সাংঘর্ষিক। এমনটা হওয়া উচিত নয়।
সহসভাপতি পদে বিজিত মঈনুদ্দিন সেলিম এই বিষয়ে বলেন, ‘এই বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাইনা। যার যেটা যেভাবে বোঝার সে সেভাবেই বুঝে নিতে পারে। আমি বিজয়ীদের অভিনন্দন জানাই। কাউন্সিলররা হয়তো তাদেরই যোগ্য মনে করেছেন,তাই তাদের ভোট দিয়েছেন। আমি কিছু বলতে চাচ্ছিনা।’
সাধারন সম্পাদক পক্ষে বিজিত প্রার্থী সাবেক ফুটবলার কিংশুক চাকমা বলেন,এইরকম প্যানেল আদৌ হয়েছিলো কিনা আমি নিশ্চিত নই,হতেও পারে,আবার নাও হতে পারে। তবে এইরকম যদি হয়ে থাকে এবং নির্বাচনে অদৃশ্য বা বাইরের কোন চাপ থেকে থাকে সেটা ঠিক নয়। আমি কোন অভিযোগ করতে চাইনা। আমরা সবাই মিলেই রাঙামাটির ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে চাই।’
