রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা বলেছেন, পূর্বে বাজার ফান্ডের অধীনে জেলার বিভিন্ন হাট থেকে ইজারার মাধ্যমে জেলা পরিষদ বড় একটি অংশ আয় করতে পারলেও বর্তমানে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে সে আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যে ইজারা ২০ লাখ টাকা আয় হওয়ার কথা, সে হাট সিন্ডিকেট করে ৫ লাখ টাকাও পাওয়া যায় না। এটিও জেলা পরিষদের নিজস্ব আয় না বাড়ার অন্যতম একটি কারণ বলে উল্লেখ করে তিনি। মঙ্গলবার বিকেলে জেলা পরিষদের বাজেট উপস্থাপনকালে বৃষ কেতু চাকমা একথা বলেন।
বাজেট প্রস্তাবে দেখা যায়, মোট ৬৭ কোটি টাকার বাজেটি জেলার অন্যতম খাত পর্যটন খাতে বাজেট প্রস্তাবনা করা হয়েছে ২ শতাংশ যা ১ কোটি ১১লক্ষ ১০ হাজার টাকা। ক্রীড়া ও সংস্কৃৃতি খাতে দেখানো হয়েছে ১ শতাংশ যা ৫৫ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা। জেলার এই সংকটময় অবস্থায় ত্রাণ ও পুনর্বাসন খাতে বাজেট প্রস্তাবনা করা হয়েছে ৩ শতাংশ যা ১ কোটি ৬৬ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা। শিশু উন্নয়ন খাতে বাজেট প্রস্তাবনা করা হয়েছে ১ শতাংশ যা ৫৫ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকার সর্বনিম্ন বাজেট প্রস্তাব করা হয়।
পর্যটন, ক্রীড়া, শিশু উন্নয়ন ও পুনবার্সন খাতসহ নিম্ন বাজেট প্রস্তাবনায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের আগে থেকেও বাজেটের অংক বলে দেওয়া হয়। তারপরও আমরা বিবেচনা করে সর্বোচ্চ বাজেট প্রস্তাবের চেষ্টা করি। জেলা পরিষদ নিয়ে অনেকেই অনেক রকমের কথা বলছে। দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে জেলা পরিষদ থেকে দুর্যোগ কবলিত মানুষদের চিকিৎসা সহায়তার জন্য নগদ অর্থ জেলা সদর হাসপাতালে দেওয়া হয়েছে।
বৃষ কেতু বলেন, আমাদের শুধু পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে বাজেট দেওয়া হয়। এছাড়া আমরা আর অন্য কোন মন্ত্রণালয় থেকে বাজেট পাই না। এই বাজেটে আমরা শিক্ষাখাতে গুরুত্ব দিয়ে ১৭ শতাংশ বাজেট প্রস্তাব করেছি যা ৯ কোটি ৪৪ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা।
জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বিদেশ ভ্রমণের বিষয় তিনি বলেন, আমাদের বিদেশ ভ্রমণের বিষয়ে নানান প্রশ্ন থাকতে পারে। তবে জেলার পর্যটন খাত আগে পরিষদের আওতাধীন ছিলো না, আমরা আমরা বিদেশ ভ্রমণে পর্যটনের শিল্পের সম্ভাবনা দেখে আমরা পর্যটন খাত পরিষদের আওতাভুক্ত করেছি।
বৃষ কেতু বলেন, জেলা পরিষদকে ধর্ম বিষয়ক পরিষদ বলে অনেকেই মন্তব্য করেন। পার্বত্য চট্টগ্রামে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জেলা পরিষদ থেকেই দেখতে হয়। এখানে অন্যান্য ফান্ড কিংবা ব্যাক্তিগত ভাবে সহায়তা দেবারও কাউকে পাওয়া যায়। তাই এই খাতেও জেলা পরিষদকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

৩ Comments
রমরমা ব্যাবসা করছেন
সিন্ডিকেটে কে কে আছে
********* ? বলে লাভ নেই ।