চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় বলেছেন, বিদেশী মদের কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামে বড় কোন সমস্যার কথা আমি শুনিনি। পার্বত্য চট্টগ্রামে দেশী চোলাই মদের ব্যাপারে এখানে যাতে অপব্যবহার করা না হয় সেটা আমাদের সকলের প্রতিরোধ করতে হবে। তবে জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রচলিত আইন, নীতি ইত্যাদি ব্যাপারে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে, সেভাবেই যেনো পদক্ষেপ নেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটে তিন পার্বত্য জেলার আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে নারী প্রাচার সর্ম্পকে তিনি বলেন, আমি আগেও বলেছি, নারী পাচার বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই। যদি থেকে থাকে আমি আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীকে সহযোগিতা করব, সাধারণ ঘরের অল্প বয়স্ক নারীদের পতিতা ব্যবসায় যেনো কেউ ভুলিয়ে বা জোর করিয়ে আনতে না পারে। পার্বত্য চট্টগ্রামে ভিওপি ও বিজিবির ছাউনি স্থানান্তর, প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে মাঝে মধ্যে জটিলতা দেখা দিয়েছে। এর অন্যতম প্রধান কারণটি হচ্ছে, সমতলের প্রযোজ্য অধিগ্রহণ আইনটি এখানে প্রযোজ্য নয়, এখানে বিশেষ রেগুলেশন রয়েছে,তবে আমার সার্কেলে যেখানে প্রয়োজন হবে রাষ্ট্রের স্বার্থে সেখানেই ভিওপি বা নিরাপত্তাবাহিনীর স্থাপনা নির্মাণে সরকারকে সহযোগিতা করে যাব। রাষ্ট্রের কারণে যেকোন জায়গায়ই সরকার পদক্ষেপ নিতে পারে, এই ব্যাপারে বাধা প্রদান করার কোন এখতিয়ার নেই।
ব্যারিস্টার দেবাশীষ বলেন, অনেকের বক্তব্যে উঠে এসেছে, চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে রাজনৈতিক দলের ব্যাপারে। আমরা পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্ত্র সংক্রান্ত কিছু কার্যকলাপ দেখি। সকলের কাছে ক্ষমা চেয়ে একটি কথা বলব, আমার কাছে ম্যাজিক ফর্র্মূলা নেই যে এটা সমাধান করব। আমার পূর্ণ আস্থা আছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি,তিনি এই সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। এখানে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান (সন্তু লারমা) উপস্থিত নেই। আমি মনে করি তার (সন্তু লারমা) সঙ্গে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ যত বেশি হয়, তত বেশি ভালো। এতে সব না হলেও, আমাদের কিছু না কিছু সমস্যা যেগুলো আছে, সেগুলোর সমাধান হবে।
চাকমা সার্কেল চিফ মনে করেন, ১৯৯৭ সালের আগের অবস্থার যদি সমাধান হতে পারে, তাহলে এখানে দুইটি কিংবা চারটি আঞ্চলিক দলের সমস্যাও সমাধান হবে।’
