জিয়াউল জিয়া ॥
ছয় ঋতুর দেশে শেষ হতে চলেছে শীতকাল। দুইদিন পরই দরজায় কড়া নাড়ছে বসন্তকাল। আর শীতের শেষ বেলায় অবকাশ কাটাতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি পর্যটন শহর রাঙামাটিতে সমাগম ঘটেছে পর্যটকের। পর্যটন বিনোদন কেন্দ্রগুলো এখন লোকে লোকারণ্য। হোটেল মোটেল ছাড়াও শহরের পর্যটন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যবসাও এখন জমজমাট। শুক্রবার সপ্তাহের ছুটির দিন হওয়ায় সকাল থেকে রাঙামাটির বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটক পদচারনায় মুখর।
রাঙামাটির পলওয়েল পার্ক, ঝুলন্ত সেতু, কাপ্তাই লেক, সাজেক ভ্যালিসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে আনন্দে মেতে উঠেছে পর্যটকরা। কাপ্তাই লেকে পর্যটকরা ট্যুরিস্ট বোট হ্রদে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কেউবা স্থানীয় তৈরি টেক্সটাইল মার্কেটগুলোও পছন্দের জিনিসপত্র কিনছেন।

শহর রাঙামাটি কিংবা দূরের সাজেক, সর্বত্রই এখন পর্যটক পদাচারনায় মুখর। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী বলছেন এই মৌসুমে রাঙামাটিতে ভালো পর্যটন এসেছে। এই ধারাবাহিকতা সারা বছর আশা করেন।
রাঙামাটি বেড়াতে আসা পর্যটক মো. আবু সাঈদ বলেন, শহরে যান্ত্রিকতা আমাদেরকে আটকে রেখেছে। অফিস আর বাসা এই দুইয়ে যেনো জীবনটা আটকে রয়েছে। তাই হঠাৎ বন্ধুদের নিয়ে বেড়াতে আসলাম রাঙামাটিতে।
রাঙামাটিতে পলওয়েল পার্কে ঘুরতে আসা পর্যটক মো. মামুন ও মো. শাকিল বলেন, এই পার্কে সকল বয়সী মানুষের বিনোদনের সব ব্যবস্থা রয়েছে তাই চট্টগ্রাম থেকে পরিবারের সকলকে নিয়ে বেড়াতে এসেছি। এখন থাকে বিশাল কাপ্তাই লেকসহ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে আসলেই মুদ্ধ আমরা।
রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক সৃজন বিকাশ বড়ুয়া বলেন, সপ্তাহের ছুটির শুক্র ও শনিবার প্রায় ৫০ ভাগ আবাসিক রুমগুলো বুকিং রয়েছে। এছাড়াও ঝুলন্ত সেতু এলাকাও প্রচুর পর্যটক বেড়াতে এসেছেন।
রাঙামাটি ট্যুরিস্ট পুলিশের এসআই মো. ওসমান গনি বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে সকল ট্যুরিস্ট পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। পর্যটকরাও নিরাপদে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ভ্রমণ করছেন।
