জিয়াউল জিয়া
ধর্ষণের প্রতিবাদে এবং ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রাঙামাটিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সোমবার বিকেল তিনটায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের সামনে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ রাঙামাটি জেলা শাখার আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আইনজীবি সুষ্মিতা চাকমা, পি.পি.পি কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি থোয়াইক্য জাই চাক, পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব সমিতি জেলা কমিটি সাধারণ সম্পাদক সুমিত্র চাকমা, রাঙামাটি জেলা শাখা হিল উইমেস ফেডারেশন সভাপতি ¤্রানু সিং মারমা। অনুষ্ঠানে পিসিপি জেলা সাধারণ সম্পাদক টিকেল চাকমার উপস্থাপনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা পিসিপি সাংগঠনিক সম্পাদক রনেল চাকমা।
এসময় বক্তারা বলেন, বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে এক মারমা নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। পার্বত্য এলাকায় ধর্ষণের বিচার না হওয়ার কারণে এই ধরনের ঘটনা বেড়েই চলছে। পাহাড়ি নারীরা তার নিজ বাড়িতেও আজ নিরাপদ নয়। তহলে নারীরা যাবে কোথায়? অনতিবিলম্বে ধর্ষককে গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।
তারা আরও বলেন, ভুক্তভোগী নারী হ্লাথুই পাড়ার উত্তর পাশে ছোট খালের ওপরে একাশি গাছের বাগানে গত শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে শাক তুলতে যান। এ সময় কায়সার তাকে পেছন থেকে আক্রমণ করেন। গলায় থাকা গামছা মুখে ঢুকিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে টেনে কিছুটা দূরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণে বাঁধা দিলে ওই নারীর চুল টেনে মারধর করে হত্যার হুমকি দেন কায়সার।
উল্লেখ্য, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে এক মারমা নারী ধর্ষণের শিকার হয়। মো. কায়সার নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সে ভুক্তভোগী নারী লামা থানায় ধর্ষণের মামলা করেন। কায়সার একই ইউনিয়নের ফুটের ঝিরির ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
