জিয়াউল জিয়া
রাঙামাটিতে দিন যতই যাচ্ছে ততই যেনো বাড়ছে লকডাউন না মানার প্রবণতা। সাধারণ মানুষের মধ্যে
ঘরে বের হওয়ার প্রবনতাও বেড়েই চলছে প্রতিদিন। সরকার কর্তৃক আরও সাত দিন লকডাউন
বাড়ানো হলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলায় এই লকডাউন কতটা কার্যকর হবে তা
নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন সচেতন নাগরিক।
এদিকে বুধবার লকডাউনের আষ্টম দিনে সড়কে মানুষের সাথে সাথে বেড়েছে
গণপরিবহন। শহরের তবলছড়ি, বনরূপা, রির্জাভবাজার ঘুরে একই চিত্র দেখা দেছে।
দূরপাল্লার গাড়ি বন্ধ থাতকেও শহরের একমাত্র চলাচলের মাধ্যম অটোরিক্স
(সিএনজি)র সংখ্যা বেড়েছে, সাথে বেড়েছে মোটরসাইলের সংখ্যা। আবার কোথায়
কোথায় মার্কেট বন্ধ থাকলেও অনেক জায়গায় দোকানের কিছু অংশ খোলা রেখে
স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করেই চলছে বেচাকেনা।
তবে এখনও বেশিরভাগ কাঁচাবাজারসহ মাছ বাজার উন্মুক্তস্থানে স্থানাস্থরিত
না করায় এসব বাজারে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হচ্ছে চরমভাবে।
তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, লকডাউনের সময়সীমা বৃদ্ধির কারনে আর্থিকভাবে ক্ষতির
সম্মুখীন হচ্ছেন তারা। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মার্কেট খুলে
দেওয়ারও দাবী জানানা তারা।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুম্পা ঘোষ বলেন,
অন্যান্য দিনের তুলানায় আজ সড়কে সাধারণ মানুষ উপস্থিতি বেশি মনে হচ্ছে
এবং কিছু দোকানও খোলা দেখেছি। আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।
