‘ছাত্রলীগকে উপজেলা থেকে কর্মী এনে অনুষ্ঠান করতে হয়। তাদের মধ্যে এখনো বিভক্ত রয়েছে। তোমাদের জেলা ছাত্রলীগের গ্রুপিং এখন ইউনিয়ন পর্যায়েও পৌঁছে গেছে। এ সমস্যা নিরসন করবে কে? ছাত্রলীগ যদি এভাবে চলতে থাকে, তাহলে তা তো বিলুপ্ত হয়ে যাবে। সভা-সমাবেশে সব কিছু করে ফেলবো বলে গালবাজি করে লাভ নাই; মাঠে কাজ করতে হবে।’
সোমবার সন্ধ্যায় শহরের বনরূপাস্থ আওয়ামীলীগের নির্বাচন কার্যালয়ে একাদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. মুছা মাতব্বর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে এ সব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘নিজেদের কর্মী চিনতে হবে। বর্তমানে অন্যদল থেকে আমাদের দলে এসে অনেকে সমস্যা সৃষ্টি করতে চাইছে। এছাড়া পৌরসভার ভোটেও দেখেছি; আমাদের নৌকার কার্ড ঝুলিয়ে অনেকে ধানের শীষে ভোট দিয়েছে। তা ভোটের রেজাল্টের অবস্থা দেখলেই বুঝা যায়। তাই এবার জাতীয় নির্বাচনে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। কেউ যেনো আমাদের মধ্যে ঢুকে অন্য কারোর জন্য কাজ করতে না পারে। এছাড়া যে কোনও সমস্যা আমাদের নজরে আসলে আমরা সরাসরি নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডকে জানাবো, তারাই এর ব্যবস্থা নিবে।’
মুছা মাতব্বর আরো বলেন, আমাদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় ছাড়া আমাদের কোন বিকল্প নেই। দল না জিতলে, আমি মুছা মাতব্বর থাকবো না, জেলা পরিষদ থাকবে না, মেয়র সাহেব থাকবে না, দীপংকর দাও রাজনীতি থেকে বিদায় নেবে, তার মানে আওয়ামীলীগ থাকবে না, থাকবে না ছাত্রলীগও। তোমাদের কাছে হাত জোর করে বলছি, ছাত্রলীগের মাঝে যে সমস্যা আছে, তা অচিরেই সমাধান করে ফেলো। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আমাদের বাঁচা মরার লড়াই, এ লড়াইয়ে বিজয়ী হতে হলে মূখ্য ভূমিকা পালন করবে ছাত্রলীগ। তোমাদের অবস্থায় যদি নড়বড়ে হয়, তাহলে দল জিতবে কিভাবে। আমরা বিশ্ব করি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯নং আসনটি আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিবো।