সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আয়তনে দেশের সবচে বড় সংসদীয় আসন পার্বত্য জেলা রাঙামাটির নৌকার মাঝি হিসেবে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন ১৯৯১ সাল থেকে টানা মনোনয়ন পেয়ে আসা,রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য দীপংকর তালুকদার।
রবিবার সন্ধ্যায় দীপংকর তালুকদারের পক্ষে তার ব্যক্তিগত সহকারি অমিত চাকমা ধানমন্ডির আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কাছ থেকে দলীয় মনোনয়নের চিঠি সংগ্রহ করেছেন বলে পাহাড়টোয়েন্টফোর ডট কমকে নিশ্চিত করেছেন দীপংকর তালুকদার।
তিনি দলীয় সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন, আমার উপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছেন আমার নেত্রী, আমি বিজয়ী হয়ে তার এই বিশ্বাস ও আস্থার প্রতিদান দেয়ার চেষ্টা করব। তিনি রাঙামাটির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের নৌকাকে বিজয়ী করতে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, গত কয়েকদিন ধরেই দীপংকর তালুকদার মনোনয়ন পাচ্ছেন কিনা এ নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। জোটের রাজনীতি ও পার্বত্য পরিস্থিতি বিবেচনায় একটি প্রভাবশালী আঞ্চলিক দলকে মনোনয়ন দেয়া হতে পারে এমন গুঞ্জন শাখা প্রশাখা মেলে। রবিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন অনলাইন ও টেলিভিশনে আওয়ামীলীগের প্রার্থীতা ঘোষণা শুরু হলে সেখানে দীপংকর তালুকদারের নাম না দেখে স্থানীয় নেতাকর্মীরা টেনশনে পড়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও দেখা যায় নানান প্রতিক্রিয়া। এরই মধ্যে বিকাল চারটায় জরুরীভাবে বিমানে ঢাকায় যান দীপংকর তালুকদার। কিন্তু তিনি পৌঁছানোর আগেই তার পক্ষে মনোনয়ন পত্রটি সংগ্রহ করেন অমিত চাকমা। দ্রুত খবরটি সামাজিক মাধ্যম হয়ে ছড়িয়ে পড়ে, হাঁফ ছেড়ে স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলেন রাঙামাটি আওয়ামীলীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এছাড়াও বান্দরবানে বীর বাহাদুর এবং খাগড়াছড়িতে কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা আওয়ামীলীগের মনোনয়ন লাভ করেছেন। তিন জেলাতেই বর্তমান সংসদ সদস্যদের বহাল রেখে দৃশ্যত আওয়ামীলীগ তাদের উপরই আস্থা রাখলো।
