জিয়াউল জিয়া
আরণ্যক ফাউন্ডেশন বিশ্ব ব্যাংকের প্রোগ্রীন গ্রান্ট এর অর্থায়নে ‘রাইংক্ষিয়ং রিজার্ভ ফরেস্ট এর ল্যান্ডস্কেপ মডেলিং ও ল্যান্ড ইউজ প্লান’ প্রণয়নে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে রাঙামাটিতে।
বৃহস্পতিবার সকালে শহরের পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স এর অডিটরিয়ামে প্রাথমিকভাবে সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রতিনিধি ও অংশীজনকে অবহিত করা হয়।
সেমিনারে রাঙামাটি অঞ্চলের বন সংরক্ষক জনাব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক জনাব মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন আরণ্যক ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক রকিবুল হাসান মকুল ও চেয়ারম্যান মঞ্জুর রশিদ।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, রেইংক্ষিয়াং বনের আশে পাশে বসবাসরত হেডম্যান ও কারবারি, বন বিভাগের কর্মকর্তা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ।
এ কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. স্বপন কুমার সরকার। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের রেইংক্ষিয়াং বনের তথ্য উপস্থাপন কর বলেন, রিজার্ভ বনের মধ্যে ঢুকে পড়েছে হাজার হাজার পরিবার। এতে করে রাইংক্ষিয়ং রিজার্ভ ফরেস্ট ধংসের পথে চলে যাচ্ছে।
প্রধান বন সংরক্ষক জনাব মোঃ আমীর হোসাইন চৌধুরী উনার বক্তব্যে বলেন, বনের ভূমির মালিক ভূমি মন্ত্রণালয়। কাজেই বন অধিদপ্তর কাউকে জমি বরাদ্দ দিতে পারে না। তবে যারা ইতিমধ্যে বনের ভিতরে বাস করছেন তাদের নিয়েই এ বন ব্যবস্থাপনা করে আপনাদের ও বনের আশেপাশে যারা বাস করছেন তাদের প্রতিবেশ সেবা পুনরুদ্ধার করতে হবে। আমাদের এখন বন ব্যবস্থাপনার মূল পরিকল্পনা হল স্থানীয়জনগণকে সম্পৃক্ত করে বন তাদের উপকারের জন্য তা নিশ্চিত করা।
তিনি আরও বলেন আশা করি আরণ্যক ফাউন্ডেশন সে রকম একটি প্লান তৈরি করবে যা সকল স্টেকহোল্ডারদের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়।
