মহালছড়ি প্রতিনিধি
স্থানীয় নির্বাচন কিংবা জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে আসলেই পাহাড়ে নিজ দলের প্রার্থীকে জেতাতে মরিয়া হয়ে ওঠে আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল। তবে এবারের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সক্রিয় নয় আঞ্চলিক দলগুলো। এর প্রভাবে পড়েছে খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার চারটি ইউনিয়নে।
স্থানীয়রা বলছেন, উপজেলায় এমএনলারমা পন্থী জনসংহতি সমিতির সরাসরি কোন প্রার্থী না থাকলেও নিজ দলের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় যে কোন প্রার্থীকে সমর্থন দিচ্ছে সংগঠনটি। যার কারণে সে সব এলাকায় অন্য কোন ব্যক্তি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও নির্বাচন করার সাহস করেন না।
এদিকে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা) কেন্দ্রীয় কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিমল কান্তি চাকমা বলেন, ‘কৌশলগত কারণে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জেএসএস নির্বাচনে অংশ নেবে না। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে এলাকার জনসাধারণের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে জনপ্রিয় ব্যক্তিকে প্রার্থী হিসেবে জেএসএসের পক্ষ থেকে মৌন সমর্থন দেয়া হয়েছে। এতে কেউ কেউ নিশ্চিত পরাজয় মেনে নিয়ে কোন কোন প্রার্থী তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। কাউকে জোর করে কিংবা শক্তি প্রয়োগ করে প্রার্থীতা প্রত্যাহারে বাধ্য করা হয়নি।’
তবে পাহাড়ের আরেক আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) মহালছড়ি উপজেলা সংগঠক দিগন্ত চাকমা বলেন, ‘বর্তমান সরকারের আমলে কোন নির্বাচনে অংশ নেয়া সম্ভব নয়। আসন্ন ইউপি নির্বাচনেও কোন দল অংশ নেয়ার মতো পরিবেশ নেই। বর্তমান সরকার নিজ দলের প্রার্থীকে জেতানোর জন্য নির্বাচনী নাটকের মঞ্চস্থ করার আয়োজন করেছে মাত্র। এ ধরণের পরিস্থিতিতে ইউপিডিএফ নির্বাচন থেকে দূরে থেকে নিরপেক্ষ অবস্থান নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
অন্যদিকে, ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) নামের আঞ্চলিক দলটিরও ইউপি নির্বাচন নিয়ে কোন তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী তৃতীয় ধাপে ঘোষিত মহালছড়িতে ৪ ইউনিয়নের ভোট হবে আগামী ২৮ নভেম্বর।
