খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় অবশেষে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে পাহাড় কাটার অপরাধে জরিমানা করা হয়েছে। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে পাহাড় কাটা। এছাড়া পাহাড় কাটার অপরাধে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পরিবেশ অধিদপ্তরে পত্র দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শেখ শহীদুল ইসলাম।
উপজেলার দীঘিনালা বাবুছড়া সড়কের সেত নির্মান করতে বিকল্প সড়ক তৈরির জন্য বৃহষ্পতিবার থেকে এক্সকাভেটর দিয়ে পাহাড় কেটে মাটি নেওয়া হচ্ছিল। বাবুছড়ার বাঘাইছড়িমুখ এলাকায় সেতু নির্মাণকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কুমিল্লার জাকির এন্টারপ্রাইজ এ কাজ করছিল। শনিবার বিভিন্ন পত্রিকায় এ নিয়ে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। শনিবার একইভাবে পাহাড় কাটা হচ্ছিল। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. মাহফুজুর রহমান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। তিনি জানান, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার শেফাউল করিমকে নগদ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন আইন ১৯৯৫ সালের ৬এর খ ধারায় এ জরিমানা করা হয়। এছাড়া এ প্রতিষ্ঠান আর কোনদিন পাহাড় কাটবেনা মর্মে লিখিত অঙ্গিকার নেওয়া হয়েছে।

১ Comment
রাঙ্গামাটি একটাই নাম পাহাড় আর পাহাড়। যে দিকে তাকাই দেখতে পাই শুধু পাহাড়। এই পাহাড়ে হাজার হাজার লোকের বসবাস। বসত বাড়ি / বাড়িঘর গড়তে গেলে নিজের মালিকানাধীন উঁচু পাহাড়কে গলিয়ে কিছুটা সমতল করে ঘর নির্মাণ করতে হয় । কিন্তু তাদের অবস্থার কী হবে ? নাকি সে উঁচু পাহাড়ে বিপর্যস্তভাবে বসবাস করবে ?