জিয়াউল জিয়া
পুরো শহর জুড়েই চলছে সর্বাত্মক লকডাউন। লকডাউনের দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার ব্যাংক খোলা থাকায় প্রথম দিনের তুলনায় দ্বিতীয় দিনে সড়কে লোকজনের উপস্থিতি ছিল কিছুটা বেশি। তবে শহরের একমাত্র গণপরিবহণ অটোরিক্সা (সিএনজি) ও বিপনীবিতানগুলো ছিল বন্ধ।
তবে এখনও বেশিরভাগ কাঁচাবাজারসহ মাছ বাজার উন্মুক্ত স্থানে স্থানাস্থর না করায় এসব বাজারে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হচ্ছে চরমভাবে। শহরের তবলছড়ি, বনরূপা, রির্জাভবাজার ঘুরে একই চিত্র দেখা দেছে। তবে কোথাও কোথাও কিছু মানুষের অযথা বাহিরে বসে আড্ডা দিতেও লক্ষ্য করা যায়। পুরো জেলায় লকডাউন ঠিকঠাক চললেও,কাঁচাবাজারগুলো ঘিরে তৈরি হচ্ছে উদ্বেগ।
বৃহস্পতিবার লকডাউন ও রমজান উপলক্ষে নিত্যপণ্যের বাজার মনিটরিং করেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বোরহান উদ্দিন মিঠু। এসময় ভোক্তা অধিকার আইনে ২জনকে ৮০০ টাকা জরিমান করা হয়েছে এবং একই সাথে দোকানগুলোতে মূল্য তালিকা, পণ্যের বাড়তি দাম আদায় ও মাস্ক পরিধানের বিষয়েও সচেতন করা হয়। এই অভিযান অব্যাহত থাকার কথাও জানান তিনি।
অপরদিকে গত ২৪ ঘন্টায় ৬৯ জনের করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হলেও ৭ জনের পজিটিভ ফলাফল পাওয়া যায়। যাদের মধ্যে শহরে ৪ জন ও কাউখালী উপজেলায় একই পরিবরের ৩ জন।
