দীঘিনালা প্রতিনিধি
দীঘিনালায় গভীর রাতে ঝাড়ু ফুলের মজুদে আগুন দিয়েছে দূর্বত্তরা। দেড় ট্রাক ঝাড়–ফুল আগুনে পুড়ে ওই ঝাড়–ফুল ব্যাবসায়ি আওয়ামীলীগ নেতার প্রায় ১৫লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভূক্তভোগী।
ভূক্তভোগী উপজেলার মেরুং (দক্ষিন) আওয়ামীলীগ শাখার সিনিয়র সহসভাপতি মো. নূরুল কালাম ভূট্টো জানান, রাজনৈতিক আক্রোশে তার এই অর্থনৈতিক ক্ষতি করা হয়েছে। এঘটনার জন্য তিনি কোন প্রতিপক্ষ্য রাজনৈতিক দলকে দোষারোপ করছেননা। তাঁর দাবী, নিজ দলের প্রতিদ্বন্ধিতাকারী পক্ষই তাঁর এ ক্ষতি করেছে। দূর্ঘটনাক্রমে আগুন লাগলে ঝাড়ু ফুলের বিশাল ২টি মজুতকৃত অংশের কোন একপাশে আগুন লাগতো। কিন্তু রাত ১২টার দিকে একসাথে ২টি মজুতকৃত পুরো অংশে একসাথে আগুন জ্বলতে থাকে। একারণে তাঁর সন্দেহ দাহ্য পদার্থ দিয়েই অগ্নিসংযোগ করেছে দূর্বৃত্তরা। সাথে সাথে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিস পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে প্রায় ২ঘন্টা সময় লাগে। আগুন নিভাতে পারলেও ঝাড়ু ফুলগুলোর বিক্রয়ের উপযোগীতা সম্পূর্ন নষ্ট হয়ে যায়। এতবড় ক্ষতিতে এই নেতা এখন ব্যবসায়িকভাবে অনেকটাই নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।
ঘটনাটি সোমবার মধ্যরাতে মেরুং ইউনিয়নের ছোটমেরুং-লংগদু সড়কের ১৬নম্বর নামক এলাকায়। দীঘিনালা উপজেলা ফুলঝাড়ু ব্যবসায়ি সমিতির সাধারণ সম্পাদক সমিরন বড়ুয়া জানান, ফুলঝাড়ু গুলো যেভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছিল সেখানে দূর্ঘটনাক্রমে আগুন লাগার কথা নয়। এছাড়া আশপাশে কোন ঘরবাড়িও নেই। আর দূর্ঘটনাক্রমে আগুন লাগলে যেকোন একপাশে আগুন জ্বলতো। কিন্তু ২টি ষ্টকের পুরোটাতেই একসাথে আগুন জ্বলার কারণে শতভাগ সন্দেহ হচ্ছে শত্রুতামূলক ভাবেই কে বা কারা অগ্নিসংযোগ করেছে।
ফায়ার সার্ভিস দীঘিনালা ষ্টেশনের ইনচার্জ পংকজ বড়–য়া বলেন, আগুন লাগার পর আমাদের খবর দেয়া হয়, আমাদের লোকজন পৌছে দেখে ঝাড়ু ফুলের পুরো ষ্টকে একসাথেই আগুন জ্বলছে। সে কারণে আগুন নিয়ন্ত্রনের কৌশল নিয়ে আমরাও চিন্তায় পড়ে যাই। সর্বশেষ আগুন নিয়ন্ত্রনে আনা হয়। তবে তদন্ত স্বাপেক্ষে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে বলা যাবে।”
