অবৈধ ও রেজিস্ট্রেশনবিহীন অটোরিক্সা চলাচল বন্ধের দাবিতে মঙ্গলবার রাঙামাটিতে অটোরিক্সা চালকদের একাংশের প্রতিবাদে কর্মসূচীতে যাওয়ার সময় মাইক ছিনিয়ে নেয়া ও মারধরের ঘটনায় অটোরিক্সা সমিতির সমর্থক ৬ অটোরিক্সা চালকের বিরুদ্ধে রাঙামাটির কোতয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রতিবাদী চালকপক্ষের এক চালক নরুল ইসলাম নজু। অভিযুক্তরা হলেন- কামাল (ধনমিয়া পাহাড়), হালিম (রিজার্ভবাজার নীচের রাস্তা),আবু (পাবলিক হেলথ এলাকা),কবির (ভেদভেদী),শিবু (কালিন্দীপুর) এবং রুবেল ( পুরাতন বাস স্টেশন)।
কোতয়ালি থানায় দায়ের করা অভিযোগে নুরুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, সম্ভাব্য বিভিন্ন ধরণের অপরাধ ঠেকানোসহ পর্যটন শহর রাঙামাটির সড়ক শৃংখলাক্ষায় শহরে রেজিস্ট্রেশন ও নাম্বারবিহীন এবং রোড পারমিটহীন সিএনজি অটোরিক্সাসহ সকল অবৈধ যান চলাচল বন্ধের দাবিতে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে যোগ দিতে যাওয়ার সময় বনরূপা চত্বরে অভিযুক্ত ৬ চালক তাকে আটকে গাড়ীর চাবি ছিনিয়ে নেয় এবং কিল ঘুষি লাত্থি মারে এবং গাড়ীতে থাকা দুটি মাইক ও মাইকের ব্যাটারি নিয়ে যায়। একই সময় গাড়ীতে থাকা রনি নামের আরেকজনে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। পরে আশেপাশের লোকজন তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসলে আসামীরা প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে পালিয়ে যায়।
এই ঘটনার বিচার প্রার্থনা করে দুপুরেই কোতয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন চালক নরুল ইসলাম নজু,যার নং৬৩৮/২৬-১১-২০১৯।
কোতয়ালি থানার ডিউটি অফিসার অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এই ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
এদিকে মঙ্গলবার রাতে আবারো হানিফ নামে আন্দোলনকারি আরেক চালককে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ব্যাপারেও আইনী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারি অটোরিক্সা চালকদের মুখপাত্র।
চালক সহকর্মীকে মারধরের ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে প্রতিবাদি অটোরিক্সা চালকদের অন্যতম দুই নেতা আবুল কালাম চুুঙ্গু এবং রাজীব জানিয়েছেন, যারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী পালনের মতো গনতান্ত্রিক অধিকারকেও সহ্য করতে পারেন না,তারা কি করে আমাদের চালকদের দু:খ বুঝবে ? তারা কিভাবে চালকদের নেতা বলে নিজেদের পরিচয় দেয় ? আমরা এই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একই সাথে এই ঘটনার সাথে যে বা যারা জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
