নানিয়ারচরের শক্তিমান চাকমার মতোই রাঙামাটির আরেক উপজেলা বাঘাইছড়ির প্রভাবশালী নেতা সুদর্শন চাকমা। সেখানে একবার উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবেও নির্বাচিত হয়েছিলেন। সর্বশেষ নির্বাচনে হেরে গেলেও সেখানে রয়েছে তার বিস্তর প্রভাব। বর্তমান পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি(এমএনলারমা)র কেন্দ্রীয় কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সুদর্শন চাকমা এই হত্যাকান্ডের ঘটনার জন্য ইউপিডিএফকে সরাসরি দায়ি করে বলেছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে শক্তিমান চাকমকে হত্যা করার জন্য হুমকি দিয়ে আসছিলো। সাম্প্রতিক সময়ে শক্তিমান চাকমার জনপ্রিয়তা ও প্রভাবে এলাকাছাড়া ইউপিডিএফ এই হত্যাকান্ডের মাধ্যমে নিজেদের খুনি চেহারা আরেকবার প্রদর্শন করলো। পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিকাংশ হত্যা,খুন,গুমের সাথে ইউপিডিএফ জড়িত বলে দাবি করেন তিনি। একই সাথে শক্তিমান চাকমার হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেছেন তিনি।
৩ Comments
সবাই জানে এটা।তাদের ছাড়া এই কাজ আর কেও করবে না।
দলীয় (জেএসএস-এম.এন.লারমা/যা সংস্কারপন্থী নামে পরিচিত) কোন্দলে শক্তিমান খুন হয়েছে বলে জানা গেছে।
বুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ উপদেশে প্রাণী বানিজ্য(প্রাণীকে হত্যা করা লাগে বিধায়), বিষ বাণিজ্য বা মাদক বাণিজ্য (যা দ্বারা চেতনা নাশ হয়) ও অস্ত্র বাণিজ্য (এক মুহূর্ত প্রাণে হরণ করা যায়) নিষেধ ছিল। অথচ এই ৩টি দ্বারা পাহাড়িরা আক্রান্ত। এই ৩টি বাণিজ্যই জাতিকে ধ্বংস করছে। ১৯৭৬ সালে এই উপজেলার গর্জন তলি গ্রাম থেকে আমার বড় ৫ ভাই, মা-বাবাসহ ৭ জনকে রাতের আঁধারে ধরে নিয়ে নির্মম নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছিল। মানুষ হত্যা করা জগন্য পাপ। এই পাপে ভারাক্রান্ত জাতি কী দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারবে? নারী জাতির উপর হাত তোলা আরো জগন্যতম পাপ। আমার মা স্নেহ মুখী চাকমা ১৯৪৭এর দেশ বিভাগকালীন সময়ের কিংবদন্তী স্নেহ কুমার চাকমার ছোট বোন অত্যন্ত ধার্মিক ও দয়ালু ছিলেন। বাবা তৎকালীন ভারতে চলে যাওয়া গোপাল ভূষণ চাকমা (পরে ভারতের পুলিশ কর্মকর্তা হন, বর্তমান চাকমা রাজার ১ম স্ত্রীর দিকে মামা শ্বশুর) ‘র জ্যাঠাতো ভাই ছিলেন। আমার আপন কাকা ২ জন, আপন মামা ২ জন, বাবার ২ চাচার ছেলে মেয়ে, বাবার মামাতো বোন আগরতলাসহ ত্রিপুরার অন্যান্য জায়গায় ছিল বিধায় বাবা সেখানে ঘন ঘন যেতেন। এটাই নাকি ছিল আমার বাবার দোষ।