পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুল মজিদ ও খাগড়াছড়ি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসাদ উল্লা’র বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। সংগঠনের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাব হলরুমে সংগঠনটির জেলা কমিটির একাংশ এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান।
এসময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিলন, পৌর কমিটির আহ্বায়ক মোঃ সোবহান প্রমুুখ।
সাংবাদিক সম্মেলন থেকে বলা হয়, গত ২৩ ও ২৫ জানুয়ারি সংগঠনের নাম ভাঙ্গিয়ে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে ৮লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি করে। এছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদাবাজি করছে বলেও সাংবাদিক সম্মেলন থেকে জানানো হয়। এসময় আব্দুল মজিদ ও আসাদ উল্লাহকে দল থেকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুল মজিদ এই অভিযোগ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বলে দাবি করেন। এদিকে চাঁদাবাজির অভিযোগের সাথে নিজের কোন সম্পৃক্ততা নেই দাবি করে ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মজিদ অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, যারা সাংবাদিক সম্মেলন করেছে, তাদের বিরুদ্ধে সংগঠনবিরোধী কর্মকান্ড করায় বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়ায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মূলক প্রচারে নেমেছে।’

২ Comments
সেই দিন আর বেশি দেরি নাই যেদিন পাহাড়ি সংগঠনগুলোর মতো ৫/৬ ভাগে বিভক্ত হবি।
সেটেলার বাঙালি জ্বালা ও পোড়াও পরিষদ????