জিয়াউল জিয়া
‘দুর্ঘটনা-দুর্যোগ হ্রাস করি, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ি’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ উপলক্ষে রাঙামাটিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কার্যালয়ে আলোচনা সভায় লেক কেন্দ্রীক উপজেলাগুলোতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নৌ ফায়ার স্টেশন নির্মাণসহ প্রতিটি উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণের দাবি উঠে।
আলোচনা সভায়, রাঙামাটি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মো. দিদারুল আলম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, রাঙামাটির পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী অতিরক্তি পুলিশ সুপার মো. মারুফ প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, রাঙামাটিতে লেক বেষ্টিত শহর। এখানে পাড়ার সড়কগুলো খুব সরু। অনেক সময় কোন এলাকায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই নৌ ফায়ার স্টেশন থাকলে এটি আরও দ্রুত কার্যকর হতো। এছাড়াও অনেক জনগুরুত্বপূর্ণ উপজেলায় এখনো ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় প্রায় আগুনে ক্ষতির স্বীকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ।
তাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে নৌ ফায়ার স্টেশন নির্মাণসহ প্রতিটি উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস নির্মাণের দাবি উঠে আলোচনা সভায়।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, শুষ্ক মৌসুমে রাঙামাটিতে সব চেয়ে বেশি অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। তাই সকলকে এই বিষয়ে আরও সচেতন হওয়া জরুরী। যেসব উপজেলায় এখনো ফায়ার সার্ভিস স্টেশন হয়নি এবং শহের একটি নৌ ফায়ার স্টেশন নির্মাণের গুরুত্ব দিয়ে আমি জেলা প্রশাসক সম্মেলনে আমি বিষয়গুলো উপস্থাপন করেছি।
রাঙামাটি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক আলোচনার সভার সভাপতির বক্তব্যে মো. দিদারুল আলম বলেন, রাঙামাটি, কাপ্তাই ও কাউখালীতে ফায়ারস সর্ভিস স্টেশন আছে। লংগদু ও রাজস্থলী উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি উপজেলাগুলোতে নির্মাণের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। কিছু উপজেলায় জায়গা নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। সেগুলো পাওয়া গেলে কাজ শুরু করা হবে।
