জিয়াউল জিয়া
রাঙামাটি কাউখালী উপজেলার ইটভাটা থেকে তিন শ্রমিক অপহরণের দুই দিনেও সন্ধান মেলেনি।
গত বুধবার রাতে চাঁদার জন্য উপজেলার কলমপতি ইউনিয়নের তারাবুনিয়ার খাঁজা গরীবে নেওয়াজ ইটভাটা থেকে সন্ত্রাসীরা
অপরণ করে নিয়ে যায়। অপহরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইটভাটার মালিক মো. ফারুক ও মো. ইদ্দ্রিস। আর কাউখালী থানার পুলিশ বলছে অপহণের বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ করলেও এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করে নি। উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে।
অপহৃত শ্রমিকরা হলেন, চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার ফতেয়াবাদ এলাকার গাজী তাহেরের ছেলে মো.জিয়াউর রহমান (২৮), নোয়াখালী সদরের মৃত রহমত উল্লাহর ছেলে আহসান উল্লাহ (২৯) ও মো. মোসলেম উদ্দিন (৪০)।
ইটভাটার মালিক ইদ্দ্রিস জানান, গত বুধবার মধ্য রাতে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ইটভাটাতে প্রবেশ করে চাঁদা দাবী করেন।মালিক পক্ষ তাৎক্ষনিক চাঁদা পরিশোধ করতে না পারায় তিন শ্রমিককে অপহরণ করে নিয়ে যায় এবং চাঁদা দিয়ে তাদের ছাড়িয়ে আনা সহ পরবর্তি নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইটভাটার সকল প্রকার কাজ বন্ধ রাখার হুমকি দিয়ে যায়।
ইটভাটার মালিক মো.ফারুক জানান, তারা প্রথমে ৩০ লাখ টাকা দাবি কললেও সেটি ৫ লাখে নির্ধারণ হলেও। এখন আর যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। তবে এলাকাটি ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) এর নিন্ত্রণাধীন হলেও তারা অপহরণের বিষয়টি স্বীকার করছে না।
কলমপতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যজাই মারমা জানান, অপহরণের বিষয়টি জানতে পেরে আমি তাৎক্ষণিক ইটভাটায় গেয়েছি। তবে এ বিষয়ে মালিক পক্ষ আমাকে কিছু আমাকে জানায়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইটভাটার একজন জানান, পাহাড়ে অবস্থিত ইটভাটা থেকে প্রতিবছর পাহাড়ের বিভিন্ন অস্ত্রধারী আঞ্চলিক সংগঠগুলোর বাৎসরিক অলিখিত চুক্তির মাধ্যমে মোটা অংকের চাঁদা নিয়ে থাকে। এবছরো চাঁদা পরিশোধ করতে দেরি হওয়াতে তিন শ্রমিককে অপহরণ করেছে সন্ত্রাসীরা।
এদিকে কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ পারভেজ আলী জানান, উপজেলার কলমপতি ইউনিয়নের তারাবুনিয়ার খাঁজা গরীবে নেওয়াজ ইটভাটা থেকে তিন শ্রমিককে অপহরণ করা হয়েছে বলে মৌখিক ভাবে জানিয়েছেন মালিক ফারুক। তবে কেউ এখনো লিখিত কোন অভিযোগ করেনি। তবুও পুলিশ বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখছে।
