ইউপিডিএফ’র নির্দেশে অগ্রজ চাকমা, পরেশ চাকমা, জয় এই তিনজন কমান্ডারে নেতৃত্বে ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) দলের আহ্বায়ক তপন জ্যোতি চাকমাসহ ৫জনকে ব্রাশফায়ারের হত্যা করা হয়েছে এমনটাই অভিযোগ ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) এর।
ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) এর মুখপাত্র লিটন চাকমা জানান, ‘ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপের অগ্রজ চাকমা, পরেশ চাকমা, জয় এই তিনজন কমান্ডারের নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়। অগ্রজ চাকমা ও পরেশ চাকমার বাড়ি খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় আর জয় হিন্দু ছেলে তার মা মারমা। ইউপিডিএফ’র নির্দেশে তাদের নেতৃত্বে ৪ মে ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) দলের আহ্বায়ক তপন জ্যোতি চাকমাসহ ৫জনকে ব্রাশফায়ার করে। তারা সাবাই মামলার আসামি।
গত ৩ মে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমার শেষকৃত্যে যোগদিতে গিয়ে ৪ মে ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) দলের আহ্বায়ক তপন জ্যোতি চাকমাসহ ৫জনকে ব্রাশফায়ার করে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন।
সেই ঘটনায় নানিয়ারচর থানায় ইউপিডিএফ’র প্রধান প্রসীত খীসার নাম উল্লেখ করে মো ১১৮ জনের নামে পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের দায়েরের পর প্রথমে দুজন ও মঙ্গলবার চট্টগ্রাম থেকে আরো তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএনলারমা) দলের তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সুধাকর ত্রিপুরা বলেন, ‘আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। যদি পুলিশ তদন্ত কাজে কোন সহযোগিতা চাই, আমরা তা করতে প্রস্তুত আছি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপিডিএফের প্রচার বিভাগের প্রধান নিরন চাকমা বলেন, ‘এটি তাদের অন্তঃকোন্দলের ফল হতে পারে।’
রাঙামাটির পুলিশ সুপার আলমগীর কবির জানান, ‘আমাদের তদন্তের কাজ চলছে। আসামিদের বাসায় প্রতিনিয়ত অভিযান চলছে। কিন্তু তাদের কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না। দুর্গম এলাকা হওয়ার কারণে খবর পেয়ে আসামিদের ধরা কঠিন হয়ে যায়। আমরা যাওয়ার আগেই পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়।
