প্রতিবছরের মতো এবারও দক্ষিন পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ কৃত্রিম জলাধার কাপ্তাই হ্রদে অবমুক্ত করা হলো কার্পজাতীয় মাছের পোনা। হ্রদের মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনমাস মাছ আহরণ বন্ধ রেখে এই পোনা ছাড়া হয় হ্রদের পানিতে।
শনিবার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে কাপ্তাই হ্রদে কার্প জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রইসুল আলম মন্ডল। পরে অবৈধভাবে মাছ ধরার সময় জব্দ কারেন্ট জাল পোড়ানো হয়।
এর আগে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) চেয়ারম্যান দিলদার আহমদ, বিএফডিসির রাঙামাটির ব্যবস্থাপক কমান্ডার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, মৎস্য ব্যবসায়ী মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রইসুল আলম মন্ডল বলেন, বিএফডিসির পক্ষ থেকে এককভাবে হ্রদে অবৈধ মাছ শিকার বন্ধ করা সম্ভব নয়, অবৈধ মাছ শিকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মৎস্যজীবীসহ আমাদের সকলকে এক সাথে কাজ করতে হবে। আশা করছি অতিসত্বর এই কেন্দ্রের সকল সমস্যা দূর করা যাবে, তখনই এখানকার গুনগত পরির্বতন আরো বাড়বে।
তিনি বলেন, মারিশ্যাচরে আমরা কৃত্রিমভাবে রেনুপোনা উৎপাদন কেন্দ্র করেছি। সেখানে পরীক্ষামূলকভাবে ভালো রেনুপেনা উৎপাদন হয়েছে। যারা মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধের সময়ও মাছ ধরছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। এক্ষেত্রে জেলেদের আইনের প্রতি আরো শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।
এবছর কাপ্তাই হ্রদের বিভিন্ন এলাকায় ২২ মেট্রিকটন মাছের পোনা অবমুক্ত করা হবে জানিয়েছে বিএফডিসি।
