রিকোর্স চাকমা ॥
কোভিড-১৯ টিকা প্রদানে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায় বিষয়ে রাঙামাটি স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে সচেতন নাগরিক কমিটি সনাকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে রাঙামাটির জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে সাবেক সভাপতি সনাক ও স্বাস্থ্য উপ কমিটি বিষয়ক আহবায়ক অমলেন্দু হাওলাদের সভাপতিত্বে উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিএস প্রতিনিধি ডা. সুস্বপন দেওয়ান, রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শওকত আকবর, ডা. ইশতিয়াক, টিআইবি চট্টগ্রাম ক্লাস্টার কো-অর্ডিনেটর মো. জসিম উদ্দিন, রাঙামাটি এরিয়া কোর্ডিনেটর বেনজিন চাকমা, সনাক সদস্য গৈরিকা চাকমা, ডা. রঞ্জিত নাথ, মো. আলিসহ স্থানীয় এনজিও, সাধারণ নাগরিক, সাংবাদিক এবং এসিজি সদস্যবৃন্দ।
ডা. ইশতিয়াক বলেন, আমি টিকাদান কার্যক্রম শুরু থেকে সম্পৃক্ত ছিলাম। আমরা দেখেছি প্রথম প্রথম মানুষ টিকা নিতে কিছুটা অনীহা ছিল। তারা সহজে টিকা নিতে আসতেন না। আমাদের ফোন দিয়ে, ডেকে নিয়ে এসে টিকা দিয়ে দিতে হয়েছে। তার পরে জানাশোনা হয়ে যাওয়ার পরে টিকা কেন্দ্রে মানুষের ভিড় বেড়ে যায়। আমরাও রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকরা তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খেতে হয়েছে। অনেকে লাইনের বাইরে থেকে টিকা নিতে এসে স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে খারাপ আচারণও করেছে। তবে এই সমস্ত টিকাদানে যদি রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকরা সহযোগিতা না করতো তাহলে কোনভাবে সম্ভব হতো না।
সভায় বক্তারা বলেন, কোভিড শুরু হওয়া থেকে এখন পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রমে স্বাস্থ্য বিভাগ যেভাবে রাঙামাটিবাসীর সেবা দিয়ে যাচ্ছে। তা প্রশংসার দাবিদার। এখন উপজেলা ও ইউনিয়নে দুর্গম জনগোষ্ঠীকে টিকা আওতায় নিয়ে এসেছে। আগে টিকা নিতে হলে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করা লাগতো যার ফলে দুর্গম এলাকার মানুষ রেজিস্ট্রেশনের অভাবে টিকা নিতে পারতো না। আর এখন খুব সহজে সাধারণ মানুষ জন্ম সনদ দিয়ে টিকা নিতে পারছে। যার কারণে রাঙামাটির মানুষ এখন বেশিরভাগ মানুষ টিকার আওতায় এসেছে।
বক্তারা আরো বলেন, রাঙামাটি সদর হাসপাতালের সেবার মান এখন আগের চাইতে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। যার কারণে সাধারণ মানুষ খুব ভালো মানের সেবা পেয়ে দূর-দূরান্ত থেকে হাসপাতালে ছুটে আসছে।
