মো. জয়নাল আবেদীন, কাউখালী ॥
সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া ভাগ্নীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ। অতঃপর পাঁচ মাসের অন্তঃস্বত্ত্বা হওয়ার পর পরিবার জানতে পেরে মামার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর মামা মোঃ ফারুক (৪০) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রাঙামাটির কাউখালী উপজেলায় এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, ধর্ষণের অভিযুক্ত ফারুক কিশোরীর সম্পর্কে মামা হয়(মায়ের ফুফাত ভাই)। কাউখালীর বেতবুনিয়ার একই এলাকায় পাশাপাশি বসবাস করতো অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত। আত্মীয়তার সুবাদে বোনের বাড়িতে প্রায়ই যাতায়াত ছিলো ফারুকের। প্রায়ই যাতায়াতের ফলে ফারুকের সাথে ধর্ষণের শিকার কিশোরীর (ভাগ্নীর) সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে ফারুক। সেই সুযোগে ফারুক বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে এই কিশোরীকে। সর্বশেষ ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে ওই কিশোরীর পেটে ব্যথার কথা জানালে কিশোরীর মা পেটের আকার অস্বাভাবিক মনে হলে মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদে সে তার মাকে সবকিছু জানায়। পরবর্তীতে কিশোরী ৫ মাসের অন্ত:স্বত্ত্বা নিশ্চিত হওয়ার পর কিশোরীর মা বাদী হয়ে ভাইয়ের বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে কাউখালী থানায় মামলা করে।
কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো: শহিদুল্যা পিপিএম জানান, মামলায় শনিবার রাতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে রবিবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ফারুক আদালতে ১৪৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে।
