লংগদু প্রতিনিধি
কোভিড-১৯ এর সংক্রমনে প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। হাসপাতালে রোগীর ভীর লেগেই আছে। সাধারন মানুষকে করেনার সংক্রমনের ছোঁবল থেকে বাঁচাতে সারাদেশে চলছে কঠোর লকডাউন। সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে রাত দিন কাজ করছে প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি। রোদ ঝড় বৃষ্টির মতো বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে মানুষকে ঘরে রাখতে কাজ করছেন তারা।
রাঙামাটির দূর্গম উপজেলা লংগদুতেও প্রশাসন কঠোর বিধি নিষেধ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। কঠোর লকডাউনের ২য় দিন (২ জুলাই) শুক্রবার সকাল থেকে উপজেলার মাইনীমূখ, মুসলিমব্লক, ভাইট্টাপাড়া, কাঠালতলা ও লংগদু সদরে সচেতনতামুলক মাইকিং, মোবাইল কোর্ট ও মসজিদে মসজিদে মাস্ক বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ। এ সময় স্বাস্থবিধি অমান্য করায় বেশ কয়েকজনকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ বিষয়ে লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুল আমিন বলেন, করোনাকালীন সময়ে পুলিশ প্রতিদিনই মাঠ পর্যায়ে কাজ করে আসছে। কঠোর লকডাউনের বিধি নিষেধ বাস্তবায়নে প্রশাসনের সাথে পুলিশও সমানতালে কাজ করছে। মানুষকে ঘরে রাখতে না পারলে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার শংঙ্কা আছে। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করছি লকডাউনের দিনগুলিতে মানুষকে ঘরে রাখতে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাইনুল আবেদীন বলেন, করোনা মহামারী মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নাই। আমরা প্রতিদিনই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করে মানুষকে ঘরে থাকার অনুরোধ করছি। মানুষ ঘরে থাকলে সংক্রমন নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। এছাড়াও হাটবাজারে লকডাউনের বিধান কার্যকর করতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। স্বাস্থবিধি না মানায় আজ কয়েকজন দোকানীকে জরিমানা করা হয়েছে। লকডাউন বাস্তবায়নে প্রশাসন নিয়মিত কাজ করছে।
ইউএনও আরো বলেন, সারা দেশের তলনায় পাহাড়ী উপজেলা লংগদুতে করোনার সংক্রমন অনেক কম। করোনার ২য় ঢেউয়ে এখন পর্যন্ত মোট চারজন সংক্রমিত হয়ছে এবং তারা সকলেই সুস্থ আছেন। লকডাউনের সময়ে মানুষকে ঘরে থাকতে হবে। মানুষ ঘরে থাকলে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে অচিরেই করোনা মোকাবেলায় আমরা সফল হবো।
