জিয়াউল জিয়া
খুলনার রূপসা উপজেলার শিয়ালি গ্রামে মন্দির, বেশ কিছু দোকান, সংখ্যালঘুদের বসতঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও লুটপাটের প্রতিবাদে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বেশ কয়েকটি সনাতনি সংগঠন।
রবিবার সকালে রাঙামাটি পৌরসভা থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয় সামনে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদ সভায় জগন্নাথ ভদ্রের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ রাঙামাটি জেলা শাখার সভাপতি অমর কুমার দে, জাগো হিন্দু পরিষদ রাঙামাটি জেলা শাখার আহবায়ক টুটুল দে, রাঙামাটি গীতা শিক্ষা সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সোহেল সাহা, সনাতন যুব পরিষদ শহর কমিটির সভাপতি উজ্জল চৌধুরী, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট রাঙামাটি শাখার সভাপতি সুজন দে, রাঙামাটি রাধা রাস বিহারী মন্দিরের অধ্যক্ষ নিতাই নুপুর দাস ব্রহ্মচারীসহ রাঙামাটির বিভিন্ন সনাতনী সংগঠন ও মঠ-মন্দিরের নেতৃবৃন্দ। 
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ রাঙামাটি জেলা শাখার সভাপতি অমর কুমার দে বলেন, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হলে এ নিয়ে শোরগোল হয়। আবার একসময় তা মিলিয়ে যায়। আবার হামলা হয়। বারবার হামলা হওয়ার কারণ, এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনা হয় না।
তিনি আরও বলেন, দেশে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সরকার ক্ষমতায় থাকার পরও একের পর এক সাম্প্রদায়িক হামলা দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে চলেছে, স্বাধীনতার পর থেকে কোন সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার হতে দেখিনি আমরা, যার কারণেই দেশে এই ধরণের হামলা ঘটেই চলেছে। এই ধরণের সাম্প্রদায়িক হামলা বন্ধ ও রুপসায় ঘটনাসহ সকল সাস্প্রদায়িক হামলার তদন্ত পূর্বক চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
