নিজস্ব প্রতিবেদক
নিষ্প্রান জৌলসুহীন রাঙামাটি পৌরসভার ভোটের মাঠের প্রাণ যেনো চার যুব মহিলালীগ নেত্রী। সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়ে ভোটের মাঠকে জমিয়ে দিয়েছেন আলোচিত সমালোচিত চার যুব মহিলালীগ নেত্রী।
সংরক্ষিত আসন ২,যেটি সাধারন ওয়ার্ড ৪,৫,৬ নিয়ে গঠিত,সেই এলাকায় প্রার্থী হয়েছেন যুব মহিলা লীগের সদর উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক লাকী চাকমা। আওয়ামীলীগ নেতা সুধীর দাশের সহধর্মিনী লাকী রাজনীতির মাঠে যেমন সক্রিয়,তেমনি সক্রিয় সামাজিক কাজে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও। প্রচারণায়ও ব্যতিক্রমী এই নারী কখনো শাড়ি,কখনো পিননখাদি পড়েও দেখাচ্ছেন চমক। ভোটের মাঠে জীবনে প্রথমবার নেমেই বেশ সাড়া ফেলে দিয়েছেন। জয়ের সম্ভাবনার দৌড়ে তাকে উপেক্ষা করছেন না কেউই।
এই ওয়ার্ডেই প্রার্থী হয়েছেন যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অন্তরা সেন। ভোটের মাঠে নতুন হলেও অন্তরা বেশ সক্রিয়ভাবেই মাঠে আছেন,যাচ্ছেন ভোটারদের বাড়ি বাড়ি,চেষ্টা করছেন ভোটযুদ্ধে বিজয়ী হতে।
৭,৮,৯ নং সাধারন ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ওয়ার্ড-৩ এ প্রার্থী হয়েছেন যুব মহিলা লীগের আলোচিত নেত্রী মনিকা আক্তার। সংগঠনটির কোন পদে না থাকলেও বিভিন্নসময় তাকে দেখা গেছে সংগঠনের কর্মসূচীতে। পাহাড়ধসের সময় সক্রিয় ভূমিকা রেখে মানুষের কাছাকাছি যাওয়া,ত্রাণ তৎপরতায় ভূমিকা রাখা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুক ও টিকটকে সক্রিয় এই নারী ভোটের মাঠের প্রচারনায়ও এনেছেন বৈচিত্র্য। মাইকিং-এ তাকে নিয়ে তৈরি করা গানটির প্রচার দৃষ্টি কেড়েছে শহরবাসির। বিজয়ী হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী মনিকা।
মনিকার সাথে এই ওয়ার্ডে লড়াই করছেন আরেক যুব মহিলালীগ নেত্রী মুক্তা আক্তার পিংকি। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী পিংকি ভোটারদের ঘরে ঘরে যাচ্ছেন,ভোট চাইছেন। পিংকি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন,বিজয়ী হলে ভোটারদের দুখে সুখে পাশে থাকার। সামাজিক কাজে সবসময়ই সক্রিয় থাকা পিংকি যুব মহিলালীগের কোন পদে না থাকলেও বেশ সক্রিয় কর্মী। ধারণা করা হচ্ছে,সামনে যুব মহিলালীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হলে সেই কমিটিতেও ভালো পদ পেতে পারেন তিনি। আপাতত ভোটযুদ্ধে ব্যস্ত পিংকির প্রত্যাশা,ভোটাররা তাকে বিজয়ী করবেন।
রাঙামাটি জেলা যুব মহিলালীগের সভাপতি রোকেয়া বেগম কেয়া জানিয়েছেন, আমাদের যুব মহিলালীগের সদর উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির লাকি ও অন্তরা নির্বাচন করছেন,সেই সাথে আমাদের কর্মী মুক্তা আক্তার পিংকিও নির্বাচন করছেন। তবে মনিকা আমাদের কেউ নয়। সে যুবমহিলালীগের কোন কমিটি বা পদেও নাই।’
রোকেয়া বলেন, এরা প্রত্যেকেই নিজের সিদ্ধান্তে নির্বাচন করছে,এর সাথে সংগঠনের কোন সম্পর্ক নেই। আমরা কাউন্সিলর নির্বাচন নিয়ে ভাবছি না,আমাদের মূলত টার্গেট ভোটের মাঠে মেয়র পদে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করে এনে এই পৌরসভাটি জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দেয়া। তবে আমাদের দলের যেসব নেতা কর্মী কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচন করছেন,তাদের সবার জন্যই আমার শুভকামনা থাকবে।’
