নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি রাঙামাটি পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে দুটি ওয়ার্ডে নির্বাচন করছেন বর্তমান জেলা ছাত্রলীগের দুই সহসভাপতি।
১ নং ওয়ার্ডে রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী অভি এবং ৪ নং ওয়ার্ডে লড়ছেন জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি সাইফুল আলম রাশেদ।
পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা হেলালউদ্দিন হ্যাট্রিক জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে আবার যখন নির্বাচনের মাঠে,তখন তার সাথে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন ছাত্রলীগ নেতা মিজান। মিজান জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি এবং এইবারই প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। শক্তিশালী প্রার্থী হেলালের বিরুদ্ধে বেশ সক্রিয়ভাবেই মাঠে আছেন মিজান। নিজের পারিবারিক পরিচিতি ও আত্মীয়স্বজনের স্বত:স্ফূর্ত সহযোগিতা আর দলীয় নেতাকর্মী সমর্থকদের সমর্থনে ভোটের মাঠে বিজয়ী হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী মিজান।
মিজানুর রহমান বলেন- আমি জেতার জন্যই মাঠে নেমেছি এবং আমার মনে হয়েছে আমার ওয়ার্ডের মানুষ এবার পরিবর্তন চায়। এই পরিবর্তনের আকাংখায় মুরুব্বিদের সাথে পরামর্শ করেই আমি ভোটের মাঠে নেমেছি। আমার বিশ^াস, আমার ওয়ার্ডবাসি যদি আমাকে দল মতের উর্ধে উঠে বিজয়ী করেন,তবে আমি আমার সর্বস্ব দিয়ে তাদের সম্মান ও মর্যাদা রাখার প্রানান্ত চেষ্টা করব। আমি এই ওয়ার্ডের সন্তান হিসেবে, বিজয়ী হলে আমি সিনিয়রদের পরামর্শ,সমবয়সীদের সমর্থন আর জুনিয়দের সহযোগিতা নিয়েই কাজ করব।
৪ নং ওয়ার্ডে প্রার্থী হয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি সাইফুল আলম রাশেদ। ছাত্রলীগের গ্রুপিং রাজনীতির কারণে বছরখানেক আগে পদস্থগিত হওয়া এই ছাত্রনেতা সংগঠনে ‘ড্যাশিং ও ক্যারিশম্যাটিক’ নেতা হিসেবে পরিচিত। সাবেক ক্রিকেটার ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য রাশেদ’র অন্যতম শক্তি হলো তার বন্ধু ও আত্মীয়স্বজন। বিএনপি অধ্যুষিত ৪ নং ওয়ার্ডে ভোটের কঠিন যুদ্ধে বিজয়ী হতে প্রানান্ত প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন রাশেদ। জয়ের ব্যাপারেও আশাবাদি এই তরুণ।
রাশেদ জানিয়েছেন, ‘আমি এই এলাকার সন্তান,আমার জন্ম বেড়ে উঠা শৈশব কৈশরের স্মৃতিধণ্য এই এলাকাবাসির জন্য যদি কিছু করার সুযোগ পাই,তবে আমি আমার সবটুকু দিয়েই সেটা করব। এই এলাকার মানুষ দলমতের উর্ধে থেকে আমাকে বিজয়ী করবে বলেই আমার বিশ^াস। আমি মনে করি,যেহেতু আমাদের সরকার ক্ষমতায় আছে,সেহেতু নির্বাচিত হলে আমার কাজ করার সুযোগও বেশি থাকবে। এবং স্বাভাবিকভাবেই আমি আমার ওয়ার্ডের মানুষের সর্বোচ্চ সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্যই কাজ করব।’
দুই ছাত্রলীগ নেতা ভোটের মাঠে থাকা উচ্ছসিত সংগঠনটির নেতাকর্মীরাও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিদিনই অজ¯্র নেতাকর্মীদের নানান স্ট্যাটাস আর শুভকামনায় আছেন দুই ছাত্রলীগ নেতা। এখন দেখার পালা দুই ছাত্রলীগ নেতাকে কতটা গ্রহণ করেন ভোটাররা ।
