বান্দরবানে বনবিভাগের উদ্যোগে সড়কের সৌন্দর্যবর্ধনে বৃক্ষ রোপণ করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালে সদরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ‘শিক্ষায় বনপ্রতিবেশ, আধুনিক বাংলাদেশ, সবুজে থাকি, সবুজেই বাঁচি’ স্লোগানে বনবিভাগের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো: দাউদুল ইসলাম। এসময় কর্মসূচিতে অন্যান্যদের মধ্যে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কাওছার হোসেন, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বিপুল কৃষ্ণ দাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: কামরুজ্জামান, গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই’র পরিচালক মোহাম্মদ শাহাজাহান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীর, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নোমান হোসেন প্রিন্স, প্রেসক্লাব সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চুসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা অংশ নেয়।
বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বিপুল কৃষ্ণ দাস জানান, পর্যটন শহরের সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন, ছায়া যুক্ত সড়ক এবং সড়কের স্থায়ীত্ব রক্ষায় বনবিভাগের নিজস্ব উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ করা হচ্ছে। বান্দরবান শহরের বাসস্ট্যান্ড থেকে চট্টগ্রাম সড়কের কেরানীহাট পর্যন্ত প্রায় ২২ কিলোমিটার সড়কের দু’পাশে ফাঁকা স্থানগুলোতে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৫ হাজার গাছের চারা লাগানো হবে। তারমধ্যে কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, সোনালু, জারুল, চাপাফুল, কাঠবাদাম, কাঞ্চন, পলাশ গাছের চারা রয়েছে। এছাড়াও পৌর শহরের সৌন্দর্য বর্ধণেও বিভিন্ন স্থানে গাছের চারা লাগানো হবে।
প্রসঙ্গত: ২০০৩ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান ভূঁইয়া ও বান্দরবান বিভাগীয় বন কর্মকর্তা অভনী ভূষণ ঠাকুরের আমলে সড়কের সৌন্দর্যবর্ধনে বান্দরবানের প্রবেশপথ হলুদিয়া থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার সড়কের দু’পাশে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের গাছ লাগানো হয়েছিল। গাছগুলো বেড়ে উঠায় সৌন্দর্য বর্ধণে লাগানো সারি সারি ফুলের গাছগুলো বসন্ত ও গ্রীষ্মে পাল্টে দেয় পর্যটন শহরের দৃশ্য। ফুলে ফুলে সেজেছে এখন সড়কগুলো।
