রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের যাত্রীবাহী বাস সার্ভিস ‘পাহাড়িকা’র সেবার মান বৃদ্ধি ও ভাড়া কমানোর দাবিতে পাহাড়িকা বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছিলো রাঙামাটির স্থানীয়রা। মঙ্গলবার সকাল এগারোটায় হঠাৎ করেই স্থানীয়রা পাহাড়িকা বাস কাউন্টারে গিয়ে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়। এতে দুর্ভোগে পড়ে সাধারণ যাত্রীরা। তিন ঘণ্টা গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখার পর দুপুর দুইটার পর গাড়ি চলাচল পুনরায় শুরু হয়।
রিজার্ভ বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আনোয়ার মিয়া বানু বলেন, রাঙামাটি থেকে বিশেষ বাস সার্ভিসের কথা বলে দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়িকা বাস সার্ভিস যাত্রীদের সাথে প্রতারণা করে আসছে। ফিটনেসবিহীন গাড়ি দিয়ে চালানো হচ্ছে বিশেষ সার্ভিস। ঢাকা থেকে যেসব গাড়ি চট্টগ্রামের যাত্রী নিয়ে রাঙামাটি নিয়ে আসছে, তাদের থেকেও চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মালিক সমিতি রাউজান থেকে চাঁদাবাজি করছে। এতে উন্নত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে জেলাবাসীসহ রাঙামাটিতে আসা পর্যটকরা। উন্নত সেবা ও পাহাড়িকা সার্ভিসের ভাড়া কমানোসহ সব ধরনের বাস চলাচল করতে দেয়ার দাবি জানান তিনি।
হোটেল গ্রীন ক্যাসেলের সত্ত্বাধিকারী মো. আসাদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা রাউজানের কাছে জিম্মি। রাঙামাটি পর্যটন এলাকা। এখানে উন্নতমানের গাড়ি ঢুকতে চাইলে রাউজানের মালিকরা ঢুকতে দেয় না। এতে যাত্রীরা উন্নত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই বন্দীদশা থেকে আমরা মুক্তি চাই। রাঙামাটি-চট্টগ্রাম বাস মালিক সমিতির সভাপতি মঈনুদ্দীন সেলিম বলেন, স্থানীয় জনগণের দাবি আমরা আলোচনার ভিত্তিতে সমাধান করবো।
এদিকে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ করেই পাহাড়িকা বাস সার্ভিস বন্ধ করে দেয়ায় যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন। এসময় দ্রুতযান সার্ভিস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মাধ্যমে যাত্রীরা তাদের গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করে।
