সৈকত বাবু
তীব্র তাপদাহে বিপর্যস্ত রাঙামাটির জনজীবন। আগামী এক সপ্তাহ এমন তাপদাহ চলতে পারে। এমনটিই জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
টানা কয়েকদিনের গরমে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ মানুষের। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে শ্রমজীবী মানুষরা। একই সাথে অফিসগামী চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীরাও পড়েছে চরম কস্টে। কাজের প্রয়োজনে যাদের বাহিরে বের হতে হয় তাদের দুর্ভোগ চরমে। এদিকে জুলাই মাসে রাঙামাটিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্র রেকর্ড হয় ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মাঝে মাঝে অল্প পরিমান বৃষ্টি হলেও সেই বৃষ্টি গরমের মাত্রা যেন আরো বাড়িয়ে দেয়। ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ রাঙামাটির জনজীবন।
রাঙামাটি শহরের রাস্তা ঘাট আনেকটা ফাঁকা তীব্র গরমে। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া দিনের বেলায় রোদে কেউ বাহির হচ্ছে না। তীব্র গরমে দেখা দিচ্ছে জ্বর-স্বর্দির মতো অসুখ। হাসপাতাল ও চিকিৎসকের চেম্বারে দেখা যায় রোগীদের উপস্থিতি।
এদিকে প্রচন্ড গরম থেকে বাঁচতে বেশী বেশী পানি পান করা পাশাপাশি খুব বেশী প্রয়োজন না হলে রোদে না যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।
শ্রমিক আবুল খায়ের বলেন, অসহ্য গরম চামড়াসহ জ্বালাপোড়া করে, মাথা ঘুরায়। পেটের দায়ে তাও কাজ করতে বের হতে হয়।
মো: করিম হোসেন বলেন, রোদ দেখলেই মাথা চক্কর দেয়। প্রচন্ড রোদে মনে হয় এই বুঝি অজ্ঞান হয়ে যাবো।
ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের বলেন, বেচা বিক্রী দিনের বেলায় অনেক কমে গেছে। দিনের বেলায় মানুষ কম বের হচ্ছে বাসা থেকে।
যোগেশ চাকমা বলেন, পাহাড়ী এলাকা হিসেবে জানতাম একটু কম গরম পড়বে এখন দেখি প্রচুর গরম। পাহাড় থেকে অবাধে গাছ কাটার ফল বোধহয় এই প্রচন্ড গরম।
রাঙামাটি আবহাওয়া কার্যালয়ের এসও ক্যাসিনো মারমা বলেন, রাঙামাটিতে বৃষ্টি তেমন নাই। জুলাই মাসের এই গরম আরো সপ্তাহখানেক থাকবে। জুলাই মাসে রাঙামাটিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
