‘আমাদের দায়িত্ব প্রাপ্তিকে লংগদুবাসী আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছে। আমরা দুজনে মিলে এলাকার মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। ইতোমধ্যে আমরা কিছু টিউবওয়েল পেয়েছি যা আপনাদের মাঝে সরাসরি বিতরণ করবো। এসব বিষয় নিয়ে অতীতে জেলা পরিষদের অনেক বদনাম রয়েছে তা ঘুচিয়ে সৎভাবে জনগণের জন্য কাজ করাই আমাদের লক্ষ্য।’ শুক্রবার বিকালে উপজেলার গুলশাখালী ইউনিয়নে কাচালং উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের আয়োজনে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে একথা বলেন জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুর রহিম।
কাচালং উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের আহবায়ক শহিদুল ইসলাম কামালের সভাপতিত্বে ও এডভোকেট কামাল উদ্দিন সুজনের সঞ্চালনায় গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের মহিলা সদস্য আছমা বেগম, গুলশাখালী ইউপি চেয়ারম্যান আবু নাছির, স্কুল শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম, সমাজ সেবক বিনয় প্রসাদ কার্বারী, স্কুল শিক্ষক কামরুল হাসান, যুবনেতা জাহাঙ্গীর আলম প্রমূখ।
সভায় বক্তারা বলেন, লংগদু উপজেলার পূর্বপারে তিনটি ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নের স¦ার্থে বাঘাইছড়ির আমতলী ইউনিয়নকে যুক্ত করে কাচালং নদীর এপারে একটি উপজেলা জরুরি প্রয়োজন। শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ ও বিদ্যুতের সুবিধা থেকে এপাড়ের মানুষ বঞ্চিত। মানুষের মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নে এবং উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে একটি উপজেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। স্থানীয় সাংসদ এবং সরকারের উর্ধতন মহলকে বিষয়টি ভেবে দেখার আহবান জানান বক্তারা।
বক্তারা আরো বলেন, প্রথমবারের মতো এবারই লংগদুবাসী জেলা পরিষদে দুজন সদস্য পেয়েছে। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত খুশির খবর। দুজনে মিলে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বগাচত্বর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ, সমাজ সেবক ডা. আব্দুর রশিদ, আওয়ামীলীগ নেতা সুভাষ চন্দ্র দাশ, মহিলা ইউপি সদস্য ফাতেমা জিন্নাহ্ প্রমূখ।
বক্তব্য শেষে নবগঠিত রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য আব্দুর রহিম ও আছমা বেগমকে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করেন কাচালং উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের নেতৃবৃন্দ।
