পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা বলেছেন, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ না হলে বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাওয়ার কথা সেভাবে এগোতে পারবে না। যারা দেশ পরিচালনা করছেন তাদের মধ্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবাধের অনুপস্থিতি রয়েছে। শাসকগোষ্ঠী যেভাবে উন্নয়নের ফিরিস্তি দেয় সেসব ফিরিস্তি শুনলে মনে হবে বাংলাদেশে যেন কোন সমস্যাই নেই। উন্নয়ন ব্যাপক বিষয়। সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক ভাবে সামগ্রিক জীবনধারার উন্নয়ন না হলে তা প্রকৃত উন্নয়ন বলা যাবে না। বৃহস্পতিবার বরকল উপজেলায় ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ক্রয়কৃত মালামাল বিতরণ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
বরকল উপজেলা পরিষদের অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা চেয়ারম্যান মনি চাকমা। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ মানজারুল মান্নান। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যান বিধান চাকমা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শকুন্তলা চাকমা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া পারভীনসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের নেতা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সন্তু লারমা আরো বলেন, বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রামে কোথাও নিরাপদ ও সুস্থ জীবনধারা নেই। পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়িত না হওয়ায় এ অঞ্চলে নানাবিধ সমস্যা বিরাজ করছে। বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকেই পার্বত্য চট্টগ্রাম সামরিক শাসন বিরাজমান রয়েছে। অপারেশন উত্তরণের নামে বিশেষ ধরণের সেনা কর্তৃত্ব রয়েছে। এখানে বহুমুখী শাসন ব্যবস্থা ও বহুমুখী কর্তৃপক্ষ থাকায় কাজ করতে গেলেই মাঝে মাঝে সাংঘর্ষিক অবস্থার সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, বরকল উপজেলায় বিভিন্ন সমস্যা বিরাজ করছে। এখানে সীমন্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির কিছু নেতিবাচক কর্মকান্ডের কারণে স্থানীয় জনগণের সাথে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির একটা দুরত্ব রয়েছে। এছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য কৃষি ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যা দুর করতে হলে সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে প্রগতিশীল চিন্তা চেতনা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া পারভীন, উপজেলা প্রকৌশলী মাহববুবুর রহমান, বড়হরিণা ইউপি চেয়ারম্যান নীলাময় চাকমা প্রমুখ।
বরকল উপজেলার ৫ ইউনিয়নের গরীব, দুস্থ ও বেকার মহিলাদের মধ্যে সেলাই মেশিন, ধান্যজমিতে পানি সরবরাহের জন্য পাম্প মেশিন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে জেনারেটর, নিরাপদ পানি সরবরাহের জন্য পানির ট্যাংক ও পানির পাইপ, ১০টি ঠেলাগাড়ি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওজন পরিমাপের যন্ত্র ও চিকিৎসা সরঞ্জাম দেয়া হয়।
মালামাল বিতরণ শেষে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে তিনদিন ব্যাপী কৃষি মেলার উদ্বোধন করেন আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা প্রশাসক।

১০ Comments
right
All right
বারে বারে ঘুগু তুমি খেয়ে যাও ধান এই বার পাইলে নিব তোমার জান
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হোক।
যারা অবৈধ অস্ত্র দিয়ে মানুষের গনতান্ত্রীক অধিকার কেরে নিয়েছে তারা গনতন্ত্রের শিক্ষক হইলো কবে??????ভূতের মুখে রাম ডাক!!!
চাঁদাবাজের মুখে আবার গনতন্ক্র
সংগ্র্ম সফল হোক
সন্তু লারমা ৩০০০০/হাজার বাংগালিকে হত্যা করেছে এবং দেশ বিরোধী নানা ষড়যন্ত লিপ্ত ‘ এই জানোয়ারের কাছ থেকে সরকার কী ফায়দা পায় এবং আইনের হাত তার কাছে কেন পোছায় না বুঝলাম না?
আজু হেযান আগজ,হমলে বাস্তবায়ন ঘরিবে ম আমলত দেগিম না নদিগিম
এক জন দেশ দ্রহি,, দেশকে খন্ডাতে চায়,, এবং দেশের শত শত লোক লাগুন লাগিয়ে মেরে পেলে,,যার নির্দেশ মত আমাদের শত শত পাহাডি পরিবার কে রাতা রাতি ভারতে নিয়ে,, এক্টি সাধিন দেশ কে খন্ড করে আরেক্টি দেশ অপহার দিবে বলে,, তাদের কে দুঃস্পন দেখাই,, দংশ করে দিয়েছে,, সে কিভাবে সচরাচর সাম্নে আসে,, আমার বুজে আসেনা,,