জিয়াউল জিয়া
পহেলা মে’র পর থেকে শুরু হওয়া নিষেধাজ্ঞা শেষে ১০৭ দিন পর আজ মধ্যরাতেই শুরু হচ্ছে কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ। কার্প জাতীয় মাছের বংশবিস্তারের লক্ষ্যে প্রতিবছর তিন মাসের জন্য পহেলা মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত হ্রদে মাছ শিকার বন্ধ থাকে। তবে এবছর কাপ্তাই হ্রদে পর্যাপ্ত পানির অভাবে মাছের বংশবিস্তার সুষ্ঠুভাবে না হওয়ায় নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ দুইদফা ১৭ দিন ৩০ দিন বৃদ্ধি করা হয়।
বুধবার মধ্যরাত হতে চিরচেনা রূপে ফিরছি জেলার সবচেয়ে বড় মৎস্য অবতরণ ঘাটটি। এই নিয়ে কর্মচাঞ্চল্য বেড়েছে বিএফডিসি ঘাটে। ব্যবসায়ীদের আশা করছে, এবছর আশানুরূপ মাছ শিকার করা সম্ভব হবে। নিষেধাজ্ঞা তুলে দেয়ার খবরে জেলেদের মাঝে ফিরেছে স্বস্তি। তাই জেলে পল্লীগুলোতে চলছে মাছ ধরার প্রস্তুতি।
বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি) রাঙামাটি বিপণন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক লে. কমান্ডার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, গত বছর কাপ্তাই হ্রদ হতে ১৭ হাজার ৮৭০ মেঃ টনঃ মৎস্য আহরিত হয়, সেখান থেকে রাজস্ব আদায় হয় ১১ কোটি ৬৮ লক্ষ ৭৯ হাজার টাকা। ২০২২ সালে পোনা অবমুক্ত করা হয় ৬৪ মে: টন। প্রত্যাশিত পরিমাণে মাছ আহরণের মাধ্যমে গতবারের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন বিএফডিসিও।
