গত ২০ জুলাই ২০২২ আঞ্চলিক পরিষদ কার্যালয়ের সম্মুখে এক মানববন্ধনে প্রদর্শিত ব্যানার-প্ল্যাকার্ড ও উত্থাপিত প্রশ্নের যথাযথ জবাব না দিয়ে সরকারের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে জনসংহতি সমিতি ও এ সমিতিভুক্ত সংগঠন যে বিবৃতি দিয়েছে, তা হিল উইমেন্স ফেডারেশন ও পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘের ক্রোধ ও ঘৃণা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলে তারা (দুই নারী সংগঠন) এক পাল্টা বিবৃতিতে জানিয়েছে।
শনিবার সংবাদ মাধ্যমে দেয়া এক যৌথ বিবৃতিতে হিল উইমেন্স ফেডারেশনের-এর সভাপতি নীতি চাকমা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘের সভাপতি কণিকা দেওয়ান জেএসএস কর্তৃক ‘বক্তব্য প্রত্যাহারের’ দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, ‘২০ জুলাই আঞ্চলিক পরিষদ কার্যালয়ের সম্মুখে উত্থাপিত প্রশ্ন-বক্তব্য’ পার্বত্যবাসীর মনের কথার প্রতিধ্বনি, তাতে কোথাও কোন অসত্য ভাষণ ছিল না। গণতান্ত্রিক পন্থায় প্রতিবাদ বিক্ষোভ জানানোর সভ্য দুনিয়ার রীতি মেনে তা করা হয়েছে। তাকে “আক্রমণাত্মক, বিদ্বেষমূলক, উস্কানিমূলক, মানহানিকর ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত” ইত্যাদি আখ্যায়িত করলে তাতে হিল উইমেন্স ফেডারেশন ও পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘ কর্তৃক উত্থাপিত প্রশ্ন মিথ্যা হয়ে যায় না। বরং বাগাড়ম্বর করে প্রকৃত সত্য আড়ালের ব্যর্থ অপচেষ্টার ফলে সন্তু লারমা ও তার অনুগত সংগঠনসমূহকে জনগণের কাছে আরও বেশি হেয়প্রতিপন্ন হতে হবে।
শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে ভীত সন্ত্রন্ত জনসংহতি সমিতি ও তার অঙ্গ সংগঠনসমূহ যেভাবে সরকারের নিকট সন্তু লারমার “নিরাপত্তা জোরদারের” দাবি জানাচ্ছে, তাতে সন্তু লারমা কতটা গণবিচ্ছিন্ন তাই উন্মোচিত হলো বলে নারী নেত্রীদ্বয় মন্তব্য করেছেন।
সন্তু লারমাকে ‘২০ জুলাই উত্থাপিত প্রশ্নের’ জবাব দিয়ে ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত বন্ধ করে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সামিল হতে আহ্বান জানিয়েছে হিল উইমেন্স ফেডারেশন ও পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘ। অন্যথায় তারা আরও কঠোর কর্মসূচি নিতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। হিল উইমেন্স ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এন্টি চাকমা প্রেরিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
