পাহাড়ের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ‘সিম্বল অব রাঙামাটি’ খ্যাত ঝুলন্ত সেতুটি আবারো বিপুল সংখ্যক পর্যটকের পদচারণায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে।
শনিবার বিকালে সরোজমিনে দেখা গেছে, সেতুটিতে হাজারো পর্যটকের উপচে-পড়া ভিড় আর সেতুর অপর প্রান্তে বসা বিভিন্ন দোকানগুলোতেও ছিলো বিপুল সংখ্যক পর্যটক। যেন এ এক লোকারণ্য।
কথা হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থেকে রাঙামাটিতে ঘুরতে আসা সুমাইয়া, কনিকা,সাগরিকা, রাকিব, মনিরুজ্জামানের সাথে। তারা বলেন, এখানে আগে আর আমাদের আসা হয়নি। ছবিতে দেখা ঝুলন্ত সেতুটিতে হাটছি, দেখছি এতে অনেক মজা লাগছে।
চট্টগ্রাম থেকে শাখাওয়াত হোসেন জানান, ‘আমি আরো অনেক আগে একবার এসেছিলাম, তখনকার চেয়ে এখন এখানকার পর্যটন শিল্প আরো অগ্রসর হয়েছে। আমি মনে করি এ সেতুটি রাঙামাটির অর্থনৈতিক খাতে বিরাট ভূমিকা রাখবে।’
এদিকে, আঁচার ব্যবসায়ী সায়রানী চাকমা জানান, আগে থেকে মোটামোটি ভাবে ভালোই বেঁচাকেনা হচ্ছে। আজ সকাল থেকে প্রায় চার হাজার টাকার আঁচার বিক্রি করেছি।
অন্যদিকে, ঝিনুক ব্যবসায়ী আসরাফের চোখে দেখা গেলো হতাশার চাপ। জানলে চাইলে আসরাফ বলেন, এখন আর মানুষ ঝিনুকের মালামাল কেনেনা। সবাই দেখে দেখে চলে যায়, কেনার দাম গন্ধও নেই।
রাঙামাটি পর্যটন বোট ঘাটের ম্যানেজার রমজান আলী জানান, গত তিন মাসে আমাদের ব্যবসা একেবারেই ছিলো না, এখন কিছুটা প্রাণ ফিরে এসেছে। ট্যুরিস্ট বোট কেমন ভাড়া হচ্ছে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন মোটামোটি ভাবে ভাড়া হচ্ছে। প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১৫ টি বোট ভাড়া যায়।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন রাঙামাটিতে ভয়াবহ পাহাড়ধসের পর এখানকার পর্যটন ব্যবসা লোকসানে ভূগেছিলো। এছাড়া গত তিনমাস ধরে পানির নিছে ঝুলন্ত সেতুটি তলিয়ে থাকায় অনেক পর্যটকই রাঙামাটিতে এসে হতাশ হয়েছেন।

১ Comment
nice