নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
ছাত্র ও যুবকদের অধিকার আদায়ে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার আদর্শ ও চেতনাকে ধারণ করে এগিয়ে যেতে আহ্বান জানিয়েছেন প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা। মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এমএন লারমা মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন ও এম এন লারমা স্মৃতি গণপাঠাগারের উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথি প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা তিনি এই কথা বলেন।
বুধবার এম এন লারমার ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এম এন লারমা মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন ও এমএন লারমা স্মৃতি গণপাঠাগার উদ্যোগে স্মরণসভা ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন অনুষ্ঠিত হয়।
স্মরণসভায় প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখার সভাপতি প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা, (অব:উপসচিব)। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের রাঙামাটি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পলাশ কুসুম চাকমা, বাংলাদেশ উদীচি শিল্পীগোষ্ঠী ও সচেতন নাগরিক কমিটির জেলা কমিটির সাবেক সভাপতি অমলেন্দু হাওলাদার, পার্বত্য চট্টগ্রামের চারু শিল্পী রতিকান্ত তঞ্চঙ্গ্যা, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের জেলা শাখার সভাপতি ও সাবেক রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাবেক সেক্রেটারি এম জিসান বখতিয়ার, ছাত্র ও যুব ঐক্য পরিষদের জেলা শাখার সভাপতি দেবাশীষ পালিত রাজা, বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক কর্মী নবাশীষ চাকমা। স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন এম এন লারমা মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের সভাপতি বিজয় কেতন চাকমা এবং সঞ্চালনা করেন এম এন লারমা স্মৃতি গণপাঠাগার এর সভাপতি সাগর ত্রিপুরা।
প্রধান অতিথি প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা বলেন, আজকে শিক্ষিত সমাজ ভুলতে বসেছে এম এন লারমা ছিলেন অবিসংবাদিত নেতা ও জুম্ম জাতীয় জাগরণের অগ্রদূত। জুম্ম জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার আন্দোলনে যৌবনে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন। জুম্মজনতা জেগে থেকেও ঘুমিয়ে আছে, বিশেষ করে ছাত্র ও যুব সমাজ। এম এন লারমাকে নিয়ে শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয় বরং চিন্তা চেতনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রতিফলিত করতে হবে। জুম্ম জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ছাত্র ও যুব সমাজকে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে হবে।
