নিজস্ব প্রতিবেদক
শারদীয় দুর্গাপূজার চতুর্থ দিনে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের পূজামন্ডপগুলোতে ছিল দেবী মায়ের বিদায়ের সুর। আজ বিজয়া দশমী। এ দিনে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাঁচ দিনব্যাপী দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে আজ।
চন্ডীপাঠ,বোধন এবং দেবীর অধিবাসের মধ্য দিয়ে ১১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার থেকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে শুরু হয় বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।
গত দুই বছর করোনা মহামারির কারণে দেশের কোথাও খুব একটা সাড়ম্ভরে পূজা উদযাপিত না হওয়ায়, এবারের সব আয়োজনেই ছিলো উৎসবের বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা। প্রতিটি পূজামন্ডপেই ছিলো উপচে পড়া ভীড়।
রাঙামাটি পূজা উদযাপন পরিষদের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, এবার বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়েই পূজো শুরু হয়েছিলো,কিন্তু কুমিল্লার ঘটনা এবং সেই ঘটনার জেরে দেশের বিভিন্ন স্থানে মঠ মন্দিরে হামলা ভাংচুর এর ঘটনায় পুরো উৎসবের আনন্দেই যেনো ভাটা পড়ে যায়। তবুও সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ রাঙামাটির বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের বিপুল উপস্থিতিতে শেষ দিনেও প্রানবন্ত ছিলো রাঙামাটির পূজা মন্ডপগুলো।
বিকালে জেলা প্রশাসকের সাথে মত বিনিময় করেছেন বিভিন্ন মন্দিরের পরিচালনা কমিটির নেতারা।
এদিকে সারাদেশে মঠ মন্দিরে হামলা ও প্রতীমা ভাংচুরের ঘটনার প্রতিবাদে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও গ্রেফতারের দাবিতে গতকাল বিকালে রাঙামাটি পৌর এলাকার ১৪ টি মন্দিরে প্রতীবাদি ব্যানার ঝুলিয়েছে রাঙামাটি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ।
পূজা উদযাপন পরিষদের নেতা স্বপন মহাজন জানিয়েছেন, ‘আমরা আজ বিকাল চারটার মধ্যেই মা কে বিদায় দেয়ার সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার জন্য সব মন্দিরকে বলে দিয়েছি। আশা করছি সবকিছুই সুষ্ঠু এবং সুন্দরভাবে শেষ হবে রাঙামাটিতে। প্রশাসন আমাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে।’
