রাঙামাটির লংগদুতে ‘সেনামৈত্রী বিদ্যানিকেতন’ অভিভাবক সমাবেশ ও ২য় সাময়িক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নতুন নামে নব উদ্দিপনায় যাত্রা শুরু করেছে।
রোববার বিকাল তিনটায়, লংগদু উপজেলা সদরে লংগদু সেনা জোনের জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল আঃ আলীম চৌধুরী পিএসসি প্রধান অতিথি হিসেবে সেনামৈত্রী বিদ্যানিকেতন প্রাঙ্গনে গাছের চারা রোপনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন।
বিদ্যানিকেতনের মাঠে আয়োজিত অভিভাক সমাবেশ ও ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন, লংগদু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ তোফাজ্জল হোসেন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেনামৈত্রী বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার চাকমা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে লংগদু জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল আঃ আলীম চৌধুরী বলেন, লংগদু সদরে ২০০৭ সালে এলাকাবাসীদের নিয়ে লংগদু বিদ্যানিকেতন নামে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন তৎকালিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফজলে রাব্বি। আমি সেই নির্বাহী অফিসারকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু কয়েক বছর না যেতেই বিদ্যালয়টি অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। বর্তমানে লংগদু ইউপি চেয়ারম্যান কুলিন মিত্র চাকমা ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ তোফাজ্জল হোসেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে টিকিয়ে রাখার জন্য যখন আমার জোনের সহযোগিতা চায় তখন আমি জোনের পক্ষ থেকে স্কুলটিকে অচলাবস্থা থেকে পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নিই। যার ফলে নতুন নাম করণ করে এবং অবকাঠামো ও সরঞ্জামাদি দিয়ে নতুনভাবে ‘সেনামৈত্রী বিদ্যানিকেতন’ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে সাজিয়েছি। তাই, আজ অভিভাবক সমাবেশে ও ফল প্রকাশের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এর নতুন যাত্রা শুরু হলো। এতে ছাত্রদের যেমন লেখাপড়ার মান ভালো হবে তেমনি অভিভাবকদেরও মন সন্তুষ্টি হবে।
অভিভাবক সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ জানে আলম, লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ রঞ্জন কুমার সামন্ত,। অভিভাবক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মোঃ আনোয়ার হোসেন মাষ্টার, নাজমুল হক, পরিচালনা কমিটির সদস্য মনিশংকর চাকমা। এছাড়া জোনের সেনা অফিসার মেজর আবু সাঈদ, লংগদু সরকারী উচচ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজিব ত্রিপুরা সহ বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি লেঃ কর্ণেল আঃ আলীম চৌধুরী আরো বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের বহনের জন্য জোনের পক্ষ থেকে দুটি রিকশার ব্যাবস্থা করেছি এবং বিদ্যানিকেতনের পাশেই প্রধান সড়কে একটি যাত্রী চাউনি নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আমার জোনের পক্ষ থেকে যা কিছু করা হয়েছে তা যথেষ্ট মনে করি। বাকী সমস্যাগুলো এখানকার নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষানুরাগী যারা আছেন জাতি ধর্ম, বর্ণ সবকিছুর উর্ধে থেকে আপনার দায়িত্ব নিয়ে তা সমাধান করবেন। ছেলে মেয়েদের আদর্শগত ও নৈতিক শিক্ষা দিতে হবে। যাতে তারা আদর্শগত ও ভালো মানুষ হতে পারে। বিদ্যালয়ের জন্য ছয় লক্ষ টাকা বরাদ্ধ পাওয়া গেছে। এছাড়া জোনের পক্ষ থেকে সেলাই প্রশিক্ষণ ও ইংলিশ স্পোকেন কোর্স প্রশিক্ষণ চালু করা হবে।

৩ Comments
WsZ#
কি বলেন , লংগদুতে পাহাড়ীদের বাড়ি নিজেরা পুঁড়িয়ে দিলেন তখন আপনাদের আদর্শ ও নৈতিক শিক্ষা কোথায় ছিল? বড় বড় কথা!?
Sir, CHT Trival’ra at 1st (may be 1980) kichui janto na. Musolmander sohit melamisha korte-korte tara onek jentle hoyece…..R akon ultow musolmander-e Trival-ra galagali dicce always. boluntoh Sir Trivalra munush naki Pochu…!!!??