সাইফুল বিন হাসান ॥
সারা দেশের সাথে একযোগে রাঙামাটিতেও শুরু হয়েছে কভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন প্রদান কর্মসূচি। তারই অংশ হিসেবে রবিবার সকালে রাঙামাটি সিএমএইচ রুমা ব্যবস্থাপনায় ও ৩০৫ পদাতিক বিগ্রেড সদর দপ্তর’র সার্বিক তত্ত্বাবধানে সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ মাঠে কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচি পালিত হয়। এতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গর্বিত সদস্য লে. কর্নেল জহিরুল ইসলাম প্রথম কোভিড-১৯ এর টিকা গ্রহণ করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ৩০৫ পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইফতেকুর রহমান, চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিস্টার রাজা দেবাশীষ রায়, পুলিশ সুপার মীর মোদ্দাছ্ছের হোসেন, সিভিল সার্জন ডা: বিপাশ খীসা, পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরীসহ সেনা কর্মকর্তা ও সংবাদকর্মীবৃন্দ।
সিএমএইচ রুমার মেডিকেল অফিসার ক্যাপ্টেন সুলতানা রাজিয়া সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন ৩০৫ পদাতিক ব্রিগেড’র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইফতেকুর রহমান এবং চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিস্টার রাজা দেবাশীষ রায়।
এতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইফতেকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের স্বার্থে সর্বদা নিয়োজিত রয়েছে। কোভিড-১৯ এর দুর্যোগময় মুহুতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা দেশের স্বার্থে দেশের মানুষের জন্য কাজ করে গেছে। চিকিৎসা সেবা থেকে শুরু করে লক ডাউনে প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেয়ার কাজও করেন সেনাবাহিনীর গর্বিত সদস্যরা।
চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিস্টার রাজা দেবাশীষ রায় বলেন, ‘এ ভ্যাকসিন বিশ্বের মধ্যে অদ্বিতীয়, এটা নিয়ো গুজব ছড়ানোর কিছুই নেই। আমি নিজে এ ভ্যাকসিন নিয়েছি, তাই সবার প্রতি আহ্বান থাকবে নিশ্চিন্তে এ ভ্যাকসিন সবাই নিতে পারবে। যারা এ ভ্যাকসিন তৈরি করেছে তারা সেবার উদ্দেশ্যে নিয়ে তৈরি করেছে এটি, মুনাফা লাভের জন্য করেনি।’
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুদক্ষ নেতৃত্বের কারণে আমরা বিশ্বের মধ্যে অতি দ্রুত এ ভ্যাকসিন লাভের সুযোগ পেয়েছি।
প্রথমদিনে ২০ জন সেনা সদস্যকে টিকা প্রদান করা হয়।
