জিয়াউল জিয়া ॥
পাহাড়ি জেলা রাঙামাটিতে প্রথম দিনে ভ্যাকসিন নিয়েয়েছেন সম্মুখসারির ৩১৬ জন। রবিবার সকালে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশীদ করোনা ভ্যাকসিন (টিকা) প্রয়োগের মধ্যদিয়ে জেলায় শুরু হয়েছে এর কার্যক্রম।এরপর একে একে টিকা গ্রহণ করেন সিভিল সার্জন বিপাশ খীসা, পুলিশ সুপার মীর মোদ্দাছ্ছের হোসেন, চাকমা সার্কল চিফ ব্যরিস্টার দেবাশীষ রায়সহ স্বাস্থ্যকর্মী ও পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিয়মিত বের হওয়া সম্মুখসারির যোদ্ধারা।
লংগদু উপজেলার যুব রেড় ক্রিসেন্ট এর সদস্য মো. তানভীর হোসেন বলেন, বেলা ১২টায় টিকা নেয়ার পর সারাদিন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছি। এখনো বিশ্রাম নেয়ার সুয়োগ হয়নি। তাও সুস্থ আছি, কোন শারীরিক সমস্যা অনুভতি হচ্ছে না।
বাঘাইছড়ির স্থানীয় সাংবাদিক মো. নাছের উদ্দিন বলেন, ‘ভ্যাকসিন নেয়ার পর এখনো সুস্থ আছি। কোন পাশর্^প্রতিক্রিয়া দেয়া যাচ্ছে না। আমার উপজেলায় যারা ভ্যাকসিন নিয়েছেন অনেকের সাথে যোগাযোগ করেছি তারাও সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন।
নারী নেত্রী টুকু তালুকদার বলেন, টিকা নেয়ার পর হাসপাতালে কিছুক্ষণ বসে ছিলাম পরে বাসায় এসে কাজও করলাম। টিকা গ্রহণ করেছি শুনে আসে পাশে লোকজন খবর নিচ্ছে। তাদেরও বলছি ভালো আছি। সন্ধ্যা পর্যন্ত কোন ধরনের সমস্যা মনে হয়নি।
রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তাপস রঞ্জন ঘোস বলেন, ভ্যাকসিন নেয়ার পর সারাদিন অফিস করেছি। অন্যদিনের মতোই আছি। অস্বাভাবিক কোন কিছু মনে হয়নি এখন পর্যন্ত।
সিভিল সার্জন বিপাশ খীসা বলেন, প্রথম দিনে ৩১৬ জন ভ্যাকসিন নিয়েছেন এবং সবাই সুস্থ আছেন। আমি নিজেও সুস্থ আছি। তিনি আরও জানান, প্রতি মাসে মাসে টিকা আসবে। অত্র এলাকার সকল জনগোষ্ঠী এই টিকার আওতায় আসবে। অনেকের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্ত থাকলেও আজকের পর আশা করি সকল বিভ্রান্ত কেটে যাবে।
রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশীদ বলেন, আমি বেলা ১১টায় টিকা নেয়ার পর চিকিৎসকের পরামর্শে ৩০ মিনিট বসে বিশ্রাম করি এবং তারপর যথারীতি অফিসের কাজ শেষ করে সন্ধ্যায় বসায় আসি। এখন পর্যন্ত শারীরিক ভাবে অন্য ১০ দিনের মতোই আছি।
