দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অংসুই প্রু চৌধুরীর ‘বড়পদ’এ অধিষ্ঠিত হওয়ায় উচ্ছসিত কাউখালি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও প্রবীন নেতা এরশাদ সরকার এবং উপজেলা চেয়ারম্যান ও যুগ্ম সম্পাদক শামসুদ্দোহা চৌধুরী।
সোমবার রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে অংসুই প্রু চৌধুরী’র দায়িত্ব নেয়ার পর দেয়া প্রতিক্রিয়া নিজেদের উচ্ছাস ‘আড়াল’ করতে পারেননি উপজেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ দুই নেতা,যারা উপজেলার রাজনীতিতে ‘গুরুত্বপূর্ণও প্রভাবশালী’ হিসেবেই পরিচিত। একই সাথে অংসুই প্রু চৌধুরীর সার্বক্ষণিক রাজনীতির সঙ্গীও তারা।
পাহাড়টোয়েন্টিফোর ডট কমকে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় এই নেতা বলেছেন, কাউখালীবাসির দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিলো অংসুইপ্রু চৌধুরী একদিন চেয়ারম্যান হবেন,সেই স্বপ্নটাই বাস্তবায়িত হয়েছে। একারণে পুরো কাউখালিবাসি উচ্ছসিত,আনন্দিত।’
এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এরশাদ সরকার বলেন,‘ অংসু প্রু চৌধুরী কাউখালির একজন সর্বজনশ্রদ্ধেয় মানুষ,অসাম্প্রদায়িক ব্যক্তিত্ব,প্রকৃত আওয়ামীলীগার। তার হাতে কাউখালীতে আওয়ামীলীগ শক্তিশালী সংগঠন হয়েছে।’
তিনি বলেন- এতোদিন তিনি ছিলেন শুধু কাউখালিবাসির,এখন পুরো রাঙামাটির। আগে শুধু কাউখালী নিয়ে ভাবলেও এখন পুরো জেলা নিয়েই তাকে ভাবতে হবে এবং আমার বিশ^াস রাঙামাটিবাসি একজন প্রকৃত নেতাকেই পাবে,যিনি সুখে দুখে মানুষের পাশে থাকবেন,দলমত নির্বিশেষে।’
এরশাদ সরকারের মতোই উচ্ছসিত কাউখালী উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক শামসুদ্দোহা চৌধুরী। তিনি বলেন- আজ কাউখালীবাসির আনন্দের দিন,উচ্ছাসের দিন,আবেগের দিন। তাই এতো মানুষ কোন প্রস্তুতি ছাড়াই গাড়ি নিয়ে আমাদের গাড়ীবহরে যোগ দিয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা ও জননেতা দীপংকর তালুকদারের প্রতি আমরা আমাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাচ্ছি।’
প্রসঙ্গত,কাউখালীর রাজনীতিতে অংসুই প্রু চৌধুরীর ‘ঘনিষ্ঠজন’ হিসেবেই পরিচিত উপজেলা চেয়ারম্যান শামসুদ্দোহা চৌধুরী ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এরশাদ সরকার।
