পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দ্বিতীয় মেয়াদেও পরিষদের সদস্য হওয়া রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হাজী মুছা মাতব্বর বলেছেন, ‘ আজ যারা বিদায় নিচ্ছেন এবং যারা দায়িত্ব নিচ্ছেন,আমরা সবাই একই দলের নেতাকর্মী,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখু মুজিবর রহমানের আদর্শের সৈনিক। আমরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করব।’
সোমবার দায়িত্বভার গ্রহন অনুষ্ঠানে মুছা মাতব্বর বলেছেন,‘ আমাদের চেয়ারম্যানসহ সদস্যগুলো যদি নির্বাচিত হতো আরো আনুষ্ঠানিকভাবে,আরো সুন্দরভাবে আমাদের শপথগ্রহণের মাধ্যমে দায়িত্ব নেয়া যেতো। এখন আমাদের শপথ নাই।’
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের কোন স্ট্যাটাস না থাকার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে জেলা আওয়ামীলীগের এই প্রভাবশালী নেতা বলেন, ‘আমি সরকারের কাছে অনুরোধ জানাব,আমাদের এই মনোনীত চেয়ারম্যান- সদস্যদের যেনো পদমর্যাদা দেয়া হয়। আমাদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদেও পদমর্যাদা কি এখনো আমরা জানিনা। এসব পদমর্যাদা খুবই প্রয়োজন। সরকারি কোন অনুষ্ঠানে গেলে আমরা পদমর্যাদা নিয়ে সংকটে পড়ি। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনীত অনুরোধ রাখব,যেনো আমাদের পদমর্যাদা দেয়া হয়,১৯৮৯ সালের নির্বাচিত প্রথম পরিষদের মতো।’
বিদায়ী চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমাকে ৫ বছর ৮ মাস দায়িত্ব পালন করায় সাধুবাদ জানিয়ে তার মতো করে বর্তমান পরিষদও যেনো আরো ৫ বছর দায়িত্ব পালন করতে পারে,সেইজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন মি: মুছা।
প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালে গঠিত স্থানীয় সরকার পরিষদে প্রথমবারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তাতে নির্বাচিত চেয়ারম্যান গৌতম দেওয়ানকে উপমন্ত্রীর পদমর্যাদা প্রদান করেছিলো সরকার। কিন্তু তার পদত্যাগের পর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের পদমর্যাদা নিয়ে আর কোন নির্দেশনা দেয়নি সরকার। ফলে অনেকটাই ‘পদমর্যাদাহীন’ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নানা সময় বিড়ম্ভনায় পড়তে হয় রাজনৈতিকভাবে মনোনীত এইসব পরিষদ সদস্যদের।
